বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

চলতি বছরই নির্বাচনের আগে জাতীয় কাউন্সিল করবে বিএনপি

প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও বঞ্চনার মিশেলে যাদের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে, তাদের প্রাপ্তির খাতা অনেকটা শূন্য থাকাই যেন নিয়তি। নানা বলয় ও অনিয়মের রাজনীতির কারণে বঞ্চিত বিএনপি নেতাকর্মীর সংখ্যা কম নয়। বঞ্চিতদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলে অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের সংখ্যা বাড়ছে। দলের সবস্তরে এদের বিরুদ্ধে একাট্টাও হতে চান তারা। দলটির একজন কর্মী বলেন, বিগত […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৬

প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও বঞ্চনার মিশেলে যাদের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে, তাদের প্রাপ্তির খাতা অনেকটা শূন্য থাকাই যেন নিয়তি। নানা বলয় ও অনিয়মের রাজনীতির কারণে বঞ্চিত বিএনপি নেতাকর্মীর সংখ্যা কম নয়।

বঞ্চিতদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলে অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের সংখ্যা বাড়ছে। দলের সবস্তরে এদের বিরুদ্ধে একাট্টাও হতে চান তারা।

দলটির একজন কর্মী বলেন, বিগত সময়ে অনেকে আওয়ামী লীগের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করে গা বাঁচিয়ে চলেছেন। বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে কর্মসূচিতে আসেননি। তাদেরকে যাতে কমিটিতে রাখা না হয়।

বিএনপির ৮২টি সাংগঠনিক জেলার কোথাও দুই সদস্যের কমিটি রয়েছে, আবার কোথাও নেই। এছাড়া কোনো কোনো জায়গায় বির্তকিতরা পদে রয়েছেন। থানা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটির অবস্থা এর চেয়ে জীর্ণ।

এমন বাস্তবতায় দল পুনর্গঠনে ইউনিট ভিত্তিক কাউন্সিল শুরু করেছে বিএনপি। বির্তকিতদের পদ পাওয়া ঠেকাতে ১০ সাংগঠনিক বিভাগের জন্য আলাদা কমিটি করা হয়েছে।

পাশাপাশি চলতি বছরেই জাতীয় কাউন্সিলও করতে চায় দলটি। দলটির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, গত ১৫ বছর নানাভাবে অবদান রাখা নেতারা কাউন্সিলে গুরুত্ব পাবেন।

এ বিষয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, এ বছরের মধ্যেই জাতীয় কাউন্সিল করার চিন্তা রয়েছে হাইকমান্ডের। এ লক্ষ্যে আগামী দুই মাসের মধ্যে মেয়াদউত্তীর্ণ কমিটিগুলো গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিন বছর পরপর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাউন্সিল করার বিধান রয়েছে। কিন্তু বিএনপির সবশেষ জাতীয় কাউন্সিল ২০১৬ সালে হয়েছে।

যদিও এই সময়ে গঠনতন্ত্রের ক্ষমতাবলে দলে একাধিক পদে রদবদল করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপরও দলটির স্থায়ী কমিসহ ও নির্বাহী কমিটির ১২০টি পদ শূন্য রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিগত সময়ে আমাদের টিকে থাকার সংগ্রাম ছিল। দেশে কোনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ ছিল না।

বর্তমানে সেই পরিস্থিতি নেই। এরইমধ্যে দল পুনর্গঠনে কাজ শুরু হয়েছে। ইউনিট ভিত্তিক কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেয়া হচ্ছে। এই কার্যক্রম শেষ হলে জাতীয় কাউন্সিল হবে।

অপরদিকে, তারেক রহমান দেশে ফিরে দলের সপ্তম জাতীয় কাউন্সিলে সভাপতিত্ব করবেন বলে আলোচনা আছে। আগামী জুলাই কিংবা আগস্ট মাসে এই কাউন্সিল হতে পারে।

তবে শেষপর্যন্ত দলটির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলেও তাতে বড় কোনো চমক থাকবে না। কারণ আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতৃত্ব নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়না দলটির হাইকমান্ড।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০