বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শূন্য থেকে ৫০ কোটি টাকার মালিক আ.লীগ নেতা উত্তম কুমার

২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল মাত্র ৫ বছরে অন্তত ৫০ কোটির টাকা মালিক হয়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক উত্তম কুমার দেব।মুজিব বর্ষের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের কাজ ভাগিয়ে নেন তিনি। আর এ কাজে তিনি সহযোগিতা নিয়েছেন সাবেক পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার। বাজে কাজ করায় কিছুদিনের মধ্যে সেসব ঘরে ফাটল তৈরি […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:০২

২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল মাত্র ৫ বছরে অন্তত ৫০ কোটির টাকা মালিক হয়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক উত্তম কুমার দেব।মুজিব বর্ষের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের কাজ ভাগিয়ে নেন তিনি। আর এ কাজে তিনি সহযোগিতা নিয়েছেন সাবেক পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার। বাজে কাজ করায় কিছুদিনের মধ্যে সেসব ঘরে ফাটল তৈরি হয়। এভাবেই শূন্য থেকে কোটিপতি উত্তম।

শুধু তাই নয়, সরকারি ব্রিজ ভেঙে লোহার রড চুরি, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, গুচ্ছগ্রামের প্রকল্প চেয়ারম্যান নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।

উত্তম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেবের ছোট ভাই। ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে উত্তম দেব অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। পানছড়িতে তার সৃষ্টি উত্তম বাহিনী; ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন প্রতারণার কারণে ২০১১ সালে এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে চট্টগ্রামে আশ্রয় নেয় উত্তম দেব। ২০১৮ সালের পানছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার বড় ভাই বিজয় নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সুযোগে পানছড়িতে ফেরেন তিনি। এরপর থেকে নানা অপকর্মে জড়ান তিনি।

২০২৩ সালে সরকারি তিনটি ব্রিজের লোহার রড চুরির অভিযোগে উঠে তার বিরুদ্ধে। আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করলে ১৫ দিন জেল খাটেন তিনি। পরে জামিনে বেরিয়ে আসলেও রড চুরির ঘটনায় উত্তর কুমার দেবকে প্রধান আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। চুরির অভিযোগে জেল খাটার পরও তার অপকর্ম থেমে থাকেনি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী অরুণ কুমার দাসের যোগসাজশে এলজিইডির সব টেন্ডারের নিয়ন্ত্রণ নেয় উত্তম। পানছড়িতে এলজিইডির ৩০ সরকারি বিদ্যালয় নির্মাণে এলাকায় ঠিকাদারি পায় উত্তম। ২০২২ সালে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে এলাকাছাড়া করে উত্তম বাহিনী।

পানছড়ি বাজারের কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ দখল নিতেই ওই ব্যক্তি ও পরিবারকে এলাকা ছাড়া করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল করিম সংবাদ সম্মেলন করেও কোনো সুবিচার পাননি। তাকে নানাভাবে হেনস্থা করে উত্তমের নিজস্ব বাহিনী।

এছাড়া সাবেক পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার প্রভাব খাটিয়ে মুজিব বর্ষের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের কাজ ভাগিয়ে নেন তিনি। নিম্নমানের কাজ করায় কিছুদিনের মধ্যে সেসব ঘরে ফাটল তৈরি হয়। এছাড়া উত্তম-বিজয়ের অনুমতি ছাড়া কেউ গুচ্ছ গ্রামে প্রকল্প চেয়ারম্যান হতে পারতেন না।

প্রকল্প চেয়ারম্যান নিয়োগে আদায় করতেন ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এছাড়া ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চেঙ্গী নদী থেকে বালু উত্তোলন করতেন তিনি। পানছড়ি বাজারে তার নামে রয়েছে মার্কেট ও প্লট। চট্টগ্রামের অভিজাত খুলশিতে ১০তলা ভবনও রয়েছে।

৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পানছড়ির দুর্গম দুধকছড়ায় আশ্রয় নেয় উত্তমকুমার দেব। ১৬ আগস্ট তিনি অবৈধ পথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় আশ্রয় নেন। এখনো সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। পালানো সময় তিনি অন্তত ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা নিয়ে যান বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০