বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না, নির্বাচন দিতে হবে : আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করে ষড়যন্ত্র চলবে না। সবাই ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এখানে মাঝখানে কেউ এসে খেলাধুলা করবেন, […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১৯

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করে ষড়যন্ত্র চলবে না। সবাই ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এখানে মাঝখানে কেউ এসে খেলাধুলা করবেন, ভোট পিছিয়ে দেবেন, বিলম্বিত করবেন, সেসব চেষ্টা করে লাভ হবে না।

সোমবার বিকেলে নগরীর মাঝিরঘাট এলাকায় মহানগর শ্রমিক দলের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্ল্যাহসহ শ্রমিক দলের নেতারা।

আমীর খসরু বলেন, শ্রমিকদের অনেক সমস্যা আছে, মিল, কারখানা ও বন্দরে সমস্যা আছে। আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা সকল শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করব। ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবে শ্রমিকদের সমস্যার কথা পরিষ্কার ভাবে বলা হয়েছে ও সমাধানের কথা বলা হয়েছে।

বিগত ফ্যাসিস্টদের পতনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রবর্তন করা জানিয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে বাংলাদেশে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে যাবেন, সরকার গঠন করবেন, যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহি থাকবে। শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল সে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ছিল না। জনগণের কাছে জবাবদিহি ছিল না। কারণ সে অনির্বাচিত, সে দখলবাজ ও স্বৈরাচার। বিএনপির বার্তা পরিষ্কার- বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরাচারকে ক্ষমতা দখল করে থাকতে দেব না। স্বৈরাচার বহুরূপে আছে। অনেকে ভোট নিয়ে স্বৈরাচার হয়ে যায়, ভোট নেওয়ার আগে স্বৈরাচার হয়ে যায়। অনেকে আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে স্বৈরাচার হয়ে যায়। কোনো স্বৈরাচার আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশের আজকে গণতন্ত্রের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এগুলো ঠেকিয়ে আবার বহুরূপে ভিন্নরূপে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তারি করলে সেটা চলবে না। আগেভাগে বলে দিচ্ছি, বড় বড় স্বৈরাচারকে বাংলাদেশের মানুষ বিতাড়িত করেছে। ওই প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন রূপে , বহুরূপীভাব দিয়ে আর স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে।

সমস্ত আন্দোলন বাংলাদেশে হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। আজ সেই গণতন্ত্র অপেক্ষায় আছে, ভোটাধিকার ও মানবাধিকার অপেক্ষায় আছে। জীবনের নিরাপত্তা মানুষ চায়। সুতরাং কিছু মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, সেটা কি জনগণ গ্রহণ করবে? যত সংস্কারের প্রয়োজন তত সংস্কার বাংলাদেশের সংসদে বিএনপি এবং আমাদের সহযোগী দল করবে। ৩১ দফার মধ্যে সব সংস্কার অর্ন্তনিহিত আছে। জনগণের রায় দিয়ে সংসদে আমরা সেসব সংস্কার করব। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত সংস্কার হতে হবে। সংস্কারের দোহাই দিয়েন না জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচনী সংস্কারটা করেন। আর কোনো সংস্কার করা কারও কোনো অধিকার নাই। জনগণের রায় নিতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। অন্য কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে না।

আমীর খসরু বলেন, জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের জনগণ সেটা মেনে নেবে না। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। জনগণের প্রতিনিধিরাই সংসদে যাবেন। যারা জনগণের কাছে যাবেন না তারা আগামীর বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। নির্বাচনী হাওয়া শুরু হয়ে গেছে। এ হাওয়া কেউ বন্ধ করতে পারবে না। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন ও সংসদ চায়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৮

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৮

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৯