মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

প্রশাসনের লোকেরা বলেছিল ‘মুখ বন্ধ করো, জিতিয়ে দেবো’, কিন্তু আমি নাসীরুদ্দীন আপস করিনি

আমাদের মেরে ফেললে মেরে ফেলুক, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে যাব, আমরা মুখ বন্ধ করব না।

নিউজ ডেস্ক

২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩২

জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দিয়েছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার অবস্থান থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন না, জীবন দিতে হলেও আপস করবেন না। বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তারাবির নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

আমাদের মেরে ফেললে মেরে ফেলুক, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে যাব, আমরা মুখ বন্ধ করব না।

তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক চাপ কিংবা ভয়ভীতি তাকে থামাতে পারবে না—এমন বার্তাই দিতে চেয়েছেন তিনি।

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল তাকে আপসের প্রস্তাব দিয়েছিল। তার ভাষ্য, নির্বাচনের সময় আমার কাছে অনেক ক্রিমিনাল এসেছে, বলেছে—আমাদের সঙ্গে ডিল করো। অনেক ব্যবসায়ী এসেছে, বলেছে—তাদের সঙ্গে ডিল করতে। প্রশাসনের লোকজন এসেছে, বলেছে—তুমি মুখ বন্ধ করো, আমরা তোমাকে জিতিয়ে দেবো। কিন্তু আমি কারও সঙ্গে আপস করিনি। এই বক্তব্যে তিনি সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব ও প্রলোভনের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ৮ আসন থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীকে অংশ নেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই আসনে তিনি বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হন। তবে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে তার বিভিন্ন মন্তব্য তাকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার ভাষণ ও অবস্থান তরুণ ভোটারদের একটি অংশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পাটওয়ারী বলেন, আপনারা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভ্যানগার্ড হয়ে যাবেন। যেসব লোক সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করে আমরা রমজানে তাদের কাছে হেদায়েতের দাওয়াত দিয়ে যাব। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি রাজনৈতিক লড়াইকে নৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। তবে একইসঙ্গে তার কিছু বক্তব্য রাজনৈতিক উত্তাপও বাড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যদি কেউ ঢাকা ৮ আসনে ভোট চুরি করতে আসে, সে যদি কারও ওয়াইফ স্ত্রী কিংবা ভাতিজাও হয়, আমরা তার হাত পা ভেঙে দেবো। এটা ওসমান হাদির আসন, আমরা তার স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ কায়েমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এই বক্তব্যকে অনেকে কঠোর ও বিতর্কিত বললেও তার সমর্থকরা বলছেন, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ভাষা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্পষ্ট করে দেন, নির্বাচন আমাদের মূল টার্গেট না। আমাদের টার্গেট সিস্টেম পরিবর্তন। আমরা সেটির জন্য কাজ করে যাব। অর্থাৎ তার রাজনৈতিক লক্ষ্য কেবল নির্বাচনি সাফল্য নয়, বরং কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি সামনে আনা—এমনটাই তিনি বোঝাতে চেয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, তার এই অবস্থান মাঠের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিতে কী ধরনের সমীকরণ তৈরি করে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮