শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

লোহিত সাগরে ইয়েমেনের শক্তিমত্তায় হতবাক হয়েছে ওয়াশিংটন

লোহিত সাগরে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে পশ্চিমা বিশ্বের বাণিজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত সামরিক মোতায়েনের সক্ষমতা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন সামরিক, কূটনৈতিক ও লজিস্টিক সমাধানের বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছে। পার্সটুডে ও ইরনার খবরে জানানো হয়েছে , গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর সহিংসতার প্রতিবাদে ইয়েমেনি সেনারা ইসরাইলি মদদপুষ্ট জাহাজ এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জামবাহী জাহাজ […]

লোহিত সাগরে ইয়েমেনের শক্তিমত্তায় হতবাক হয়েছে ওয়াশিংটন

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ এপ্রিল ২০২৫, ২১:০৫

লোহিত সাগরে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে পশ্চিমা বিশ্বের বাণিজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত সামরিক মোতায়েনের সক্ষমতা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন সামরিক, কূটনৈতিক ও লজিস্টিক সমাধানের বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছে।

পার্সটুডে ও ইরনার খবরে জানানো হয়েছে , গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর সহিংসতার প্রতিবাদে ইয়েমেনি সেনারা ইসরাইলি মদদপুষ্ট জাহাজ এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জামবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে টানা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরে একাধিক মার্কিন ড্রোনও ভূপাতিত করেছে তারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন যৌথভাবে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ থেকে ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করলেও ইয়েমেনি প্রতিরোধে তার কোনো দৃশ্যমান সফলতা আসেনি।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনি বাহিনী পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সেনাদের কার্যক্রমে বিভ্রান্তি ও হতাশা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, লোহিত সাগরে ইয়েমেনি উপস্থিতি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক রসদ সরবরাহ ও দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট লোহিত সাগর দিয়ে প্রতি বছর প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য পরিবাহিত হয়। সমুদ্রপথে বিশ্ব কন্টেইনার বাণিজ্যের প্রায় ৩০ শতাংশ পরিচালিত হয় এই পথ দিয়ে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরের অস্থিরতা শুধু বাণিজ্যের জন্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক কৌশলগত পরিকল্পনার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লোহিত সাগরকে ঘিরে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ায় অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ এখন দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল বিকল্প পথ — কেপ অফ গুড হোপ হয়ে চলাচল শুরু করেছে। এতে সরবরাহ ব্যয় যেমন বেড়েছে, তেমনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জরুরি রসদ সরবরাহের গতি ব্যাহত হচ্ছে। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র তার ৮০ শতাংশ সামরিক সরঞ্জাম বাণিজ্যিক জাহাজের মাধ্যমে পরিবহন করে, যা এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

এ অবস্থায় বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র জেদ্দা বন্দরে সরঞ্জাম খালাস করে তা স্থলপথে পরিবহনের কৌশল বিবেচনা করছে। যদিও এই বিকল্পও সময়সাপেক্ষ এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বন্দরে পণ্য খালাসের সময় জাহাজগুলো সর্বাধিক ঝুঁকির মুখে পড়ে। স্থলপথে পরিবহন ঝুঁকি কিছুটা কমালেও ব্যয় ও সময় বাড়াবে।

এদিকে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা এখনো দ্বিধায় রয়েছেন— ইয়েমেন পরিস্থিতির সামরিক সমাধান সম্ভব কি না। অনেক বিশ্লেষক সতর্ক করছেন, হামলার মাধ্যমে এই সংকটের অবসান সম্ভব নয়। বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানকে আরও দুর্বল করতে পারে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোহিত সাগর পরিস্থিতি বিশ্ববাণিজ্যে এক গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সামরিক নির্ভরতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সামনের দিনগুলোতে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ কী হবে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির ভবিষ্যত অনেকটাই নির্ধারণ করবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৬০

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৬০

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৬০

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৬০