শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিপদে নলডাঙ্গাবাসী-জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করছে,পুকুর খনন সিন্ডিকেড-শস্য উৎপাদন নিয়ে শংঙ্কা!

নাটোর প্রতিনিধিঃ কৃষকই দেশের প্রাণ। আর আমাদের নাটোর কৃষির প্রাণ। অথচ ইরি আবাদের এই ভরা মৌসুমে ইরান আমেরিকা যুদ্ধের কারনে একজন কৃষককে এক বা দুই লিটারের বেশি ডিজেল দেয়া হচ্ছে না। অথচ অবৈধভাবে পুকুর কাটা মাটি বহনের ট্রলির জন্য শত শত লিটার ডিজেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৪০

নাটোর প্রতিনিধিঃ কৃষকই দেশের প্রাণ। আর আমাদের নাটোর কৃষির প্রাণ। অথচ ইরি আবাদের এই ভরা মৌসুমে ইরান আমেরিকা যুদ্ধের কারনে একজন কৃষককে এক বা দুই লিটারের বেশি ডিজেল দেয়া হচ্ছে না। অথচ অবৈধভাবে পুকুর কাটা মাটি বহনের ট্রলির জন্য শত শত লিটার ডিজেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

একজন কৃষক সবচেয়ে ছোট স্কিম করলেও প্রতিদিন কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচ লিটার ডিজেল প্রয়োজন। যেখানে বৈধ এবং অতি আবশ্যক কাজের জন্য এক বা দুই লিটারের বেশি ডিজেল দেয়া হচ্ছে না।

সেখানে অবৈধ কাজে ব্যবহারের জন্য শত শত লিটার ডিজেল কিভাবে বিক্রি হতে পারে? এ দৃশ্য নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায়। এলাকায় অসহায় কৃষক ভাইয়েরা দ্রুত এর প্রতিকার চান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অতি দ্রুত যেন এর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন কৃষকদের এটাই দাবি।

পুকুর খনন সিন্ডিকেটের বেড়াজালে পরে যাচ্ছে,কৃষক ও নাটোরের কৃষি। জ্বালানি সংকটের বড় অংশ খেয়ে ফেলে এই পুকুর খনন সিন্ডিকেট গ্রুপ। যেখানে প্রসাশনের একরকম অসহায়ত্ব লক্ষনীয়। উপজেলার বিপ্রবেলঘরিয়া,মাধনগর,খাজুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পুকুর খনন,মাটি বিক্রির ফলে কোটি কোটি টাকার সড়ক অচল হয়ে পরেছে।

কৃষক নজরুল ইসলাম,ফিরোজ প্রামানিক বলেন,আমরা ফসল চাষ করবো আমাদের সামান্য তেল দিচ্ছে আর মাঠের মধ্যে,ভেকু দিয়ে অনেক তেল নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে মাটি কাটচ্ছে। ট্রাক্টর,কাঁকড়া দিয়ে মাটি পরিবর্হন করছে। তাদের কারনে আমরা তেল পাচ্ছি না। তারাই তেলের সংকট তৈরি করছে। আমাদের লাগবে দশ লিটার দিচ্ছে মাত্র দুই লিটার করে। স্থানীয় পর্যায়ে ডিজেলের সংকট কারন যারা পুকুর খনন করছে, বা ভেকু চালাচ্ছে তারা অনেক তেল নিয়ে যাচ্ছে। এই তেল নিয়ে যাওয়ার কারণে ভুক্তভোগী কৃষক যারা ধান সেচ করছে তারা তেল পাচ্ছে না। যারা পুকুর খনন করে,ভেকু,কাঁকড়া চালায় তারা শত শত লিটার তেল নিয়ে যাচ্ছে,যার কারনে আমরা কৃষক ১-২ লিটার করে তেল পাচ্ছি। আমাদের প্রয়োজন ফসল উৎপাদন করা,আর এই ফসল উৎপাদন করতে না পারলে কি পরিমাণ খাদ্য সংকট পরবে তা আপনারা ভেবে দেখেন। আমাদের একটাই অনুরোধ,আমরা যাতে তেল পাই সেদিকে দৃষ্টিকণ রাখা।

এদিকে এই উপজেলায় বিগত ১০ বছরে কমেছে প্রায় ৮০০ বিঘার চেয়ে বেশি কৃষি জমি। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে,প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে নির্বিচারে পুকুর খনন ও অন্যান্য স্থাপনা ও ফসলি জমিসহ পুকুর সংস্কারের নামে নির্বিচারে চলছে পুকুর খননের ফলে কমে গেছে কৃষি জমি।

বর্তমানে সরকারের সময়ও তার ব্যাতিক্রম নই। উপজেলা প্রসাশনের কঠোর হুশিয়ারির পরও কিছুতেই কমছে না পুকুর খননের নামে মাটি বিক্রি। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রসাশন অভিযান চালিয়ে একাধিক পুকুর খনন বন্ধ করেছে এবং ভেকুর ব্যাটারি জব্দ করেছে।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়,২০১৪ সালে উপজেলায় কৃষি জমির পরিমান ছিলো ১৪ হাজার ৬৫ হেক্টর,যা কমে ২৪ সালে দাড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমি। সেই সাথে সংকুচিত হয়েছে দেশের গভীরতম হালতিবিল। উপজেলায় পুকুর খননের মহোৎসব চললেও তা কিছুতেই রোধ করা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে,প্রশাসনের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারির পরোক্ষ যোগসাজসে চলেছে এমন অপকর্ম।

আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে পুকুর খনন করায় কমে যাচ্ছে আবাদী জমি। এতে কৃষি জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতাসহ চাষাবাদের স্থায়ী ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছেন কৃষকরা এবং পাকা সড়কে পুকুরের মাটি পরে পরিনত হয়েছে কাঁচা সড়কে।

ফসলি জমিতে পুকুর খননে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সে আইনের তোয়াক্কা করেনি কেউই। ফলে আবাদী জমির পরিমান কমে যাওয়া সহ খননকৃত পুকুরের পাশে শত শত বিঘা জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে।

এছারা ইচ্ছেমতো নষ্ট করা হচ্ছে দেশের সবচেয়ে গভীর জলাশয় হালতিবিলকে। বিলের ঠিক মাঝখানে ঠাঁই দাঁড়িয়ে রয়েছে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং এখনও বিলে কৃষিতে স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে।

সে সময় স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিলপারের মানুষ বাধা দিলেও নেতাদের দাপটে,সেটা আর থামানো যায়নি। যার ফলে বিলের স্বাভাবিক নৌ চলাচলে বাধাগ্রস্তের পাশাপাশি নস্ট করা হয়েছে কৃষি জমিকে।

বর্ষাকালে দেশী প্রজাতির অন্তত শতাধিক প্রজাতির মাছের আধার তৈরী হয় এই হালতিবিলে। উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ শিকার করে জীবন,জীবিকা চলে বিল দুটির অন্তত লক্ষাধিক মানুষের। কিন্তু বিলের মাঝখানে -বেসরকারী এমন স্থাপনায় পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্তের পাশাপাশি মাছের স্বাভাবিক প্রজনন নষ্ট করছে। এতে করে ব্যহত হচ্ছে মাছ উৎপাদনে। বর্তমানে উপজেলায় পুকুর রয়ে সাড়ে ৩ হাজার। যার মধ্য বিপ্রবেলঘরিয়া ও পিপরুল ইউনিয়নে বেশি।

হালতিবিলের যে অর্থণৈতিক গুরুত্ব,তা হয়তো দিন দিন শেষ করা হচ্ছে এমন সব স্থায়ী অবকাঠামো তৈরী করে। পুকুর খনন বন্ধে বিগত সময়ে কৃষকরা মানববন্ধনের মত প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করলে বন্ধ হয়নি নির্বিচারে পুকুর খনন। নির্বিচারে পুকুর খনন ও স্থানী স্থাপনা নির্মানের ফলে প্রভাব পড়ছে বিলের অঞ্চলের নানা পেশার মানুষের ওপর। তাই উপজেলায় ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ ও হালতি বিল রক্ষায় নতুন আর কোন স্থাপনা নির্মাণ না করে হালতিবিলকে সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণার দাবি বিল পারের মানুষের।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও নলডাঙ্গা উপজেলার কৃষক কার্তিক চন্দ্র,সন্তোষ প্রামানিক,সুনিল চন্দ্র,মিন্টু,মনুসহ অনেকে জানান,নলডাঙ্গা উপজেলার হাজার হাজার কৃষকের সংসার চলে মাঠের ফসল উৎপাদন করে। পুকুর খনন করার কারনে সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। উপজেলার কিছু প্রভাবশালীর কারণে মাটি ব্যবসায়ীরা এসব কাজ করে থাকে জরুরী ভাবে প্রশাসনের কাছে দাবি হালতিবিলসহ উপজেলার কোথাও যেন কোন ভাবেই পুকুর খনন করতে দেওয়া না হয়

এছাড়া সাম্প্রতিক ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল নাটোরের হালতিবিলে কৃষি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন এবং নলডাঙ্গা উপজেলার হালতিবিলের ব্লকের বিভিন্ন কৃষিজমি ও ফসল পরিদর্শন করেন তারা। পরিদর্শন শেষে মার্কিন প্রতিনিধি দলের প্রধান মিস সারাহ জেলেস্কি ও মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ হালতিবিলের কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে,উপজেলায় পুকুর রয়েছে সাড়ে ৩ হাজার। উপজেলায় ৫টি ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি পুকুর রয়েছে বিপ্রবেলঘরিয়া ও পিপরুল ইউনিয়নে।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সবুজ আলী বলেন,কোন ভাবেই কৃষি জমি পুকুরের আওয়াতায় আনা যাবেনা। আইনগত ভাবে নিষিন্ধ রয়েছে। কৃষি জমিতে পুকুর খনন বন্ধে উন্ধতন কতৃপক্ষ সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পুকুর খনন বন্ধে কৃষি বিভাগ কৃষকদের সাথে কাজ করছে।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো.আল এমরান খাঁন জানান,কৃষি জমি খনন করে,পুকুর খনন চলবেনা। মাটি কাটা বিষয়ে উপজেলা প্রসাশন কঠোর অবস্থানে আছে। সব সময় আমরা প্রস্তুত আছি,অভিযান চলবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।