রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা
সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরে ইলিশ শিকারের অভিযোগ উঠেছে তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ও ছাত্রলীগ নেতা মো. আবুল কাসেম রিঙ্কু এবং তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের বিরুদ্ধে। রবিবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তালতলীর ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় জেলে আমির হোসেন ও রুবেলের অভিযোগ, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রিঙ্কু ও তার বাবার দুটি ট্রলার সাগরে গিয়ে ইলিশ শিকার করে। পরে সেই মাছ ফকিরহাট ঘাটে এনে রিঙ্কুর আড়তে রাখা হয়। স্থানীয়দের প্রতিবাদে রাতেই তারা মাছ সরিয়ে ফেলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জেলেরা জানান, ট্রলারের শব্দ শুনে ঘাটে গিয়ে তারা তাজা ইলিশ ভর্তি ড্রাম দেখতে পান। রিঙ্কু ও তার সহযোগীরা তাদের হুমকি দিয়ে মাছগুলো আড়ত থেকে সরিয়ে ফেলে।
তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক রিঙ্কু বলেন,
“আমার বাবার বৈধ ইলিশ ব্যবসা আছে। রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করতেই আমাকে জড়ানো হচ্ছে।”
অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, “আমি টহলে ছিলাম। তবে শুনেছি আমার অফিসের মাঠ সহায়ক ও তার বাবার ট্রলার সাগর থেকে ইলিশ নিয়ে এসেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. সফিউল আলম জানান, এ ঘটনায় তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।