বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

বাংলাদেশে তেল রপ্তানির হাব বানাবে সৌদি আরব

বাংলাদেশে একটি পরিশোধনাগার ও তেল রপ্তানির হাব নির্মাণ করতে চায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি আরামকো। জানুয়ারিতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আলোচনা সভায় এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইলান। সৌদি-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি: প্রবণতা, মূল চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে এই আলোচনা সভা হয়। এতে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জানুয়ারী ২০২৫, ২১:৫৫

বাংলাদেশে একটি পরিশোধনাগার ও তেল রপ্তানির হাব নির্মাণ করতে চায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি আরামকো।

জানুয়ারিতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আলোচনা সভায় এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইলান।

সৌদি-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি: প্রবণতা, মূল চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে এই আলোচনা সভা হয়। এতে বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের জন্য পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন সহজ হবে বলেও জানান সৌদি রাষ্ট্রদূত।

আমরা বিশ্বের সবচেয়ে তেল কোম্পানি আরামকো নিয়ে কথা বলছি। একটি পরিশোধনাগার স্থাপন করতে তারা বাংলাদেশে আসতে চায়, যোগ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, এতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলীয় দেশগুলোতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আরামকোর একটি বড় প্রতিনিধি দল তিন বার বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। কেউই তখন এ বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখাননি, বলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। কিন্তু আমরা অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চাই না। আমরা কথা বলবো ভবিষ্যত নিয়ে।

ইসা দুহাইলান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের বহুমাত্রিক সম্পর্ক। একে অপরের অভ্যন্তরীণ ইস্যু নিয়ে কেউ কখনও কথা বলেনি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি, পর্যটনসহ নানাবিধ সহযোগিতার খাত রয়েছে। তবে দুই দেশের বিনিয়োগ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট নই। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। সৌদি আরব সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

বাংলাদেশের ৩০ লাখ কর্মী সৌদি আরবে কাজ করছেন। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা আরও বড় পরিসরে বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। শুধু হজ, কর্মী নিয়োগ, অনুদান নয়, এর বাইরেও বাণিজ্যসহ নানা দিকে সম্পর্ক বিস্তৃত করতে চাই, বললেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

বানিজ্য

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন […]

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৭

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে পাঠানো ওই চিঠিতে নগদের বর্তমান অবস্থান মূল্যায়নের জন্য অডিট পরিচালনার সুযোগ চাওয়া হয়। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

প্রয়াত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে আরমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রায় আট বছর গুম ছিলেন। ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে অপহৃত হন এবং ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট— শেখ হাসিনা সরকারের পতনের একদিন পর মুক্তি পান তিনি। যুক্তরাজ্যে আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া এই আইনজীবী কথিত ‘আয়নাঘর’-এ আটক থাকা ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘বিনিয়োগে সহায়তা করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ। দেশি-বিদেশি বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন এবং তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে নগদের অডিট করতে চায়।’

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আগ্রহ রয়েছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে কয়েকজন বিদেশি বিনিয়োগকারী এতে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকা নগদকে যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তরের পরিকল্পনার কথা তিনি জেনেছেন। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক, পরিচালনাগত সক্ষমতা, ঝুঁকি, শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, নগদ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কোনোটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার মতো নয়। অন্তর্বর্তী সরকার নগদকে আবার বেসরকারি খাতে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নতুন সরকার। নগদ বর্তমানে সরকারের মালিকানাধীন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল এটি পরিচালনা করছে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করা নগদ এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্থায়ী লাইসেন্সে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া ফরেনসিক অডিটর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে আগের ব্যবস্থাপনার সময়ে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণ পায়।