বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে,তারা বিএনপিকে আরেকটা আ.লীগ বানাতে চায় : সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের বরাত দিয়ে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটির ভূমিকা পর্যালোচনা না করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী ও গণহত্যাকারী হয়ে ওঠার ইতিহাস বোঝা সম্ভব হবে না। একই সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে। তারা বিএনপিকে আরেকটা আওয়ামী লীগ বানাতে চায়। রোববার (৩১ আগস্ট) […]

সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে,তারা বিএনপিকে আরেকটা আ.লীগ বানাতে চায় : সারজিস

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬:৫৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের বরাত দিয়ে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটির ভূমিকা পর্যালোচনা না করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী ও গণহত্যাকারী হয়ে ওঠার ইতিহাস বোঝা সম্ভব হবে না। একই সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে।

তারা বিএনপিকে আরেকটা আওয়ামী লীগ বানাতে চায়।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন। এনসিপি নেতা সারজিস আলম তার পোস্টে সারোয়ার তুষারকে ট্যাগ করে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

পোস্টটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

১/১১-র সময় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে, তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছিল তিনি আর রাজনীতি করবেন না। কাজটা শুরু হয়েছিল তাকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করে তার ক্রেডিবিলিটি নাই করে দেওয়ার মাধ্যমে। তখন আমাদের মহান সিভিল সোসাইটি কিন্তু এর প্রতিবাদ করেনি।

উল্টো সিভিল সোসাইটির স্টারদের মধ্যে কেউ কেউ কী লিখেছিলেন জানেন? “আমি অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে কোনো যদি-কিন্তু নাই। তবে কেন জানি তারেক জিয়ার আহত ও ব্যথাতুর চেহারা আমার মধ্যে কোনো ভাবাবেগ তৈরি করে না।”

I AM against torture. Nothing justifies torture. This is a principled stand, there are no ifs and buts. But why is it that when I see a recent picture of Tarique Rahman, son of ex-prime minister Khaleda Zia, his face screwed up in sheer agony, I feel no empathy, no compassion? Why do I not allow myself to dwell on his pain? Why do I shut it out, turn to another news item, or turn the pages of the newspaper?

(আমি নির্যাতনের বিরোধী। কোনোকিছুই নির্যাতনকে সমর্থন করে না। এটি আমার নীতিগত অবস্থান, এখানে কোনো যদি বা কিন্তু নেই। কিন্তু আমি যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের একটি সাম্প্রতিক ছবি দেখি, যেখানে তার মুখ যন্ত্রণাদায়ক দেখা যাচ্ছে, তখন কোন সহানুভূতি বা মমতা অনুভব করি না? কেন আমি তার কষ্ট নিয়ে নিজেকে ভাবতে দেই না? কেন আমি তা মন থেকে সরিয়ে দেই, অন্য খবরে মন দেই বা পত্রিকার পাতা উল্টাই?)

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, তখন তারেক জিয়ার কোনো মানবাধিকার ছিল না। নির্যাতন করে তার মাজা ভেঙে দেওয়াটা ছিল জাস্টিফাইড। সেই সিভিল সোসাইটিকেই এখন দেখি তারা মহা বিএনপিপ্রেমী। এর মানে কি এই যে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে থিসিস পরিবর্তন করেছে? না, মোটেও না।

তাদের চিন্তা, মাইন্ডসেট, মতাদর্শিক এলাইনমেন্ট আগের মতোই আছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে তারা স্রেফ চায়— তাদের অনুমিত ও চর্চিত প্রগতিশীলতার ঝাণ্ডা বিএনপি বহন করুক। মনে রাখবেন বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটির ভূমিকা পর্যালোচনা না করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী ও গণহত্যাকারী হয়ে ওঠার ইতিহাস বোঝা সম্ভব হবে না।

ওই একই সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে। তারা বিএনপিকে আরেকটা আওয়ামী লীগ বানাতে চায়।

‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতেসে যেন। তখন তারেক জিয়া ও বিএনপির চরিত্র হনন করা হইসিল। এখন ছাত্রনেতা, তরুণ রাজনৈতিক নেতাদের ডিল্যাজিটিমাইজ করা হচ্ছে। তাদের ওপর যখন অত্যাচারের স্টিম রোলার চালানো হবে দেখবেন এই সিভিল সোসাইটি তখন মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে।

কিন্তু গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কোনো আসামিকে আদালত প্রাঙ্গণে সামান্য ডিম ছুড়ে মারলে একযোগে মানবাধিকারের হাহাকার শুরু হয়ে যায়/যাবে। জি, এটাই সায়েন্স।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬