শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ছাড়া আর কোনো পথ নেই : আমীর খসরু

যারা ভোটে যেতে চায় না, তাদের রাজনৈতিক দল করার দরকার কী? জনগণের কাছে না গেলে আপনি কেমন রাজনৈতিক দল? রাজনীতি মানেই তো জনগণের দ্বারে যাওয়া

নিউজ ডেস্ক

১৯ জুলাই ২০২৫, ২২:৪৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামে এক সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো পথ নেই। তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের লন্ডন বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের আলোকে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের দাবি তুলে ধরেন তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীর লেডিস ক্লাবে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আয়োজিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীর খসরু বলেন, “সংস্কার, ঐকমত্য—সব কথা ঠিক আছে। কিন্তু তার বাইরে সময় নষ্ট করা যাবে না। লন্ডনের বৈঠক অনুযায়ী নির্বাচন করতেই হবে। এর বাইরে কোনো রাস্তা নেই।”

তিনি বলেন,

“বাংলাদেশের মানুষ আজ একটি স্থিতিশীল, সহনশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চায়। জনগণের সাংবিধানিক অধিকার, ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে হলে একটাই রাস্তা—ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হলে নির্বাচনের বাইরে কিছু নেই।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

“আমি এখনো বিশ্বাস করি, আমরা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনেই যাচ্ছি। এখন প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধভাবে সেই নির্বাচনের জন্য কাজ করা। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে।”

নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে খসরু বলেন,

“যারা ভোটে যেতে চায় না, তাদের রাজনৈতিক দল করার দরকার কী? জনগণের কাছে না গেলে আপনি কেমন রাজনৈতিক দল? রাজনীতি মানেই তো জনগণের দ্বারে যাওয়া।”

তিনি বলেন,

“আমরা ভোটে জিতি বা হারি, সেটা বড় কথা নয়। আমরা চাই ভোট হোক, আমরা জনগণের ম্যান্ডেট চাই। এটাই সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার।”

আলোচনায় আমীর খসরু আরও বলেন,

“শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের মানুষের মনে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। মানুষের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা বদলে গেছে। এই নতুন বাস্তবতায় পুরনো রাজনীতির কোনো জায়গা নেই।”

তিনি বলেন, “তারেক রহমান আমাদের পরিবর্তনের রূপরেখা দিয়েছেন। আমি তো বয়সে প্রবীণ, অবসর নিতে পারতাম। কিন্তু আমি আছি, কারণ আমি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আশায় আছি।”

ইনটেরিম সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন,

“আমি তাদের দোষ দিচ্ছি না। তারা তো রাজনৈতিক সরকার নয়, তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু এই অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব দ্রুত নির্বাচন দিয়ে দেশ জনগণের হাতে তুলে দেওয়া।”

তিনি বলেন,

“গণতান্ত্রিক অর্ডার, সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিমূলক সরকার গড়তে হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এখন যা চলছে তা কোনো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নয়। এখন সময়, সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে যে বাংলাদেশ কেমন হবে।”

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মো. সেলিম ভূঁইয়া, এম এ ছফা চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৪