রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতের আধিপত্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ইউনূস সরকারকে সবাই শক্তিশালী করবো: হাসিনুর রহমান

ভারতের আধিপত্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ড. ইউনূস সরকারের হাতকে সবাই শক্তিশালী করবো। ভারতপ্রেমীদের ঘৃণা করবো। ফ্যাসিস্ট আর সৃষ্টি হবে না।

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৫, ১৮:৫৩

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বীর প্রতীক উপাধিপ্রাপ্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন,

“ভারতের আধিপত্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ড. ইউনূস সরকারের হাতকে সবাই শক্তিশালী করবো। ভারতপ্রেমীদের ঘৃণা করবো। ফ্যাসিস্ট আর সৃষ্টি হবে না।”

এই বক্তব্য এমন এক সময় এল, যখন দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের গ্রহণযোগ্যতা, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে নানা বিতর্ক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ভারতের বর্তমান ভূরাজনৈতিক ভূমিকা এবং বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানের এই মন্তব্য সেই উত্তাপকেই আরও প্রজ্জ্বলিত করেছে।

প্রসঙ্গত, হাসিনুর রহমান দুইবার গুমের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‌্যাবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে একাধিক মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপে তিনি ফিরে এলেও, তার গুমের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি প্রকাশ্যেই কথা বলেছেন।

তাঁর এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে, যা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বলয়ের বাইরেও একটি প্রতিরোধী জাতীয়তাবাদী আবেগকে স্পষ্ট করে তুলে ধরছে। এই মন্তব্যে একদিকে যেমন ভারতের একচেটিয়া ভূরাজনৈতিক প্রভাবকে প্রত্যাখ্যানের সুর রয়েছে, অন্যদিকে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সম্ভাব্য হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করার রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট।

সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে তাঁর এই পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে নানা আলোচনা ও সমর্থনসহ। একই দিনে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের পদত্যাগ চেয়ে বিএনপি এবং সরকারবিরোধী দলগুলোর সক্রিয়তা যেমন বেড়েছে, তেমনি দেশের নতুন রাজনৈতিক কাঠামো ঘিরে এক শ্রেণির সেনা ও রাষ্ট্রপতির্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের অবস্থানও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

এখন দেখার বিষয়—লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের এই অবস্থান কেবল বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি দেশের আগামী রাজনৈতিক গঠনে বাস্তব কোনও প্রভাব রাখে। তবে একথা নিশ্চিত করে বলা যায়, ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রতীক হিসেবে এই বার্তা নিছক আবেগ নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্ত প্রতিরোধ রাজনীতির ভিত্তিও হতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪