মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে ভাঙনের সুর! আরও দুই নেতার পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আরও এক দফা রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যেখানে দলটির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তর অঞ্চল) হানিফ খান সজিব এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুজ জাহের। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন এই দুই নেতা। […]

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে ভাঙনের সুর! আরও দুই নেতার পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৭ মার্চ ২০২৫, ০৯:৩০

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আরও এক দফা রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যেখানে দলটির দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তর অঞ্চল) হানিফ খান সজিব এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুজ জাহের।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন এই দুই নেতা। তাদের পদত্যাগপত্রে ব্যক্তিগত কারণ দেখানো হলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দলীয় অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং মতাদর্শগত অস্থিরতা এর মূল কারণ হতে পারে।

হানিফ খান সজিব তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন, “আমি ব্যক্তিগত কারণবশত জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।” অন্যদিকে, আব্দুজ জাহেরও একই রকম ভাষায় তার পদত্যাগপত্রে লেখেন, “ব্যক্তিগত কারণেই আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি।”

এদিকে, একই দিনে এনসিপির আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবু হানিফও পদত্যাগ করেছেন। তিনিও এনসিপির আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দেন, যেখানে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান।

এনসিপির অভ্যন্তরীণ সংকট ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপির সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, মতবিরোধ এবং দলে নেতৃত্বের পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষই মূলত এই পদত্যাগের কারণ হতে পারে। অনেকেই ধারণা করছেন, নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রভাব এবং দলে অভ্যন্তরীণ বিভাজন এর পেছনে ভূমিকা রাখছে।

দলীয় ইতিহাস ও সাম্প্রতিক পরিবর্তন
প্রসঙ্গত, আবু হানিফ অতীতে গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য এবং গণমাধ্যম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের পর নুরুল হকের গণ অধিকার পরিষদ থেকে অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

কিন্তু মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের পদত্যাগ দলটির অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এনসিপির নেতৃত্ব ও সংগঠন পরিচালনার কৌশল নিয়ে আরও গভীর বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং কীভাবে এই সংকট মোকাবিলা করে, তা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০