বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় নাগরিক পার্টির টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রনি

সদ্য গঠিত ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির’ অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক গোলাম মওলা রনি। তিনি দলটির উদ্বোধনী আয়োজনের আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশ এবং বিপুল ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যয় নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, শত কোটি টাকা খরচ […]

জাতীয় নাগরিক পার্টির টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রনি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৫, ১০:১০

সদ্য গঠিত ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির’ অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক গোলাম মওলা রনি। তিনি দলটির উদ্বোধনী আয়োজনের আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশ এবং বিপুল ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

সম্প্রতি ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যয় নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, শত কোটি টাকা খরচ হয়েছে, আবার কেউ ধারণা করছেন, কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বিশাল মঞ্চ, চোখ ধাঁধানো আয়োজন, সারাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের উপস্থিতি এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থাপনা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই অর্থের উৎস কী?

গোলাম মওলা রনি বলেন, “এই দল যারা গঠন করেছে, তারা তো কিছুদিন আগেও ছাত্র ছিলেন। তাদের অনেকেই নিম্নবিত্ত কিংবা নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। অথচ মাত্র ছয়-সাত মাসের ব্যবধানে তারা বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ছেন, দামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরছেন, হাতে লাখ টাকার ঘড়ি পরছেন, এমনকি অনেকে অভিজাত পরিবারে বিয়ে করছেন। প্রশ্ন হলো, তারা এত দ্রুত এত বিত্ত-বৈভব কীভাবে অর্জন করল?”

তিনি আরও বলেন, “শোনা যাচ্ছে, ধনকুবেরদের কেউ কেউ তাদের গাড়ি উপহার দিচ্ছেন, ব্যয়বহুল জীবনযাপনের সুযোগ করে দিচ্ছেন। সকালে এক গাড়ি, বিকেলে আরেক গাড়ি, রাতে নতুন গাড়ি ব্যবহার—এত বিলাসিতা তারা কীভাবে করছেন? এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটাই এখন প্রশ্ন।”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সব সময়ই অর্থের খেলায় লিপ্ত বলে অভিযোগ করেন রনি। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ সব দলই নির্বাচনী রাজনীতিতে টাকা ব্যবহার করেছে। এরশাদ যখন সেনাপ্রধান ছিলেন, তখন তার সরকারি বেতন কত ছিল? কিন্তু তারপরও তিনি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতেন। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নির্বাচন ও রাজনীতির জন্য বিশাল অঙ্কের অর্থের লেনদেন করেছে, যা কারো অজানা নয়।”

গোলাম মওলা রনি আরও দাবি করেন, “যদি জাতীয় নাগরিক পার্টি কোনো শিল্পগোষ্ঠী, বিদেশি সংস্থা বা দানশীল ব্যক্তি থেকে অর্থ পেয়ে থাকে, তাহলে সেটা খুব একটা ব্যতিক্রম নয়। চীন, ভারত কিংবা আমেরিকার মতো দেশগুলোরও বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরাসরি প্রভাব রয়েছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে, বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশে ছোট রাজনৈতিক দল ও এনজিওদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, অতীতে রাতের ভোট পরিচালনার জন্য বিদেশি শক্তিগুলো বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তখন ভারত বিএনপিকে কিছু আসন দিতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চীনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বদলে যায়। এরপর রাতের আঁধারে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছিল।”

এই ধরনের রাজনৈতিক অর্থের প্রবাহ নতুন কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, “শুধু ছাত্রদের টাকা কোথা থেকে এলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো মানে হয় না। বরং ভবিষ্যতে তারা যদি বড় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং ভালো খাবারের ব্যবস্থা রাখে, তাহলে সেখানে গিয়ে খেয়ে আসাই ভালো।”

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ এটিকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করছেন। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩