মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

অধিকাংশ স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জিতবে : ফুয়াদ

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক টকশোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করা যায়, তবে জাতীয় নির্বাচনকে ফ্রি এবং ফেয়ার করার জন্য এটি সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।” উপস্থাপকের প্রশ্ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে দিলে কি দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে? এই প্রশ্নের […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৩

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক টকশোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করা যায়, তবে জাতীয় নির্বাচনকে ফ্রি এবং ফেয়ার করার জন্য এটি সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।”

উপস্থাপকের প্রশ্ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে দিলে কি দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “প্রথম কথা হলো, যারা নির্বাচন চাচ্ছে না, বড় বড় দল হিসেবে বিএনপির বক্তব্য যেটা বারবার আসছে, তার যুক্তিটা কি?

তারা মনে করছে যে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের প্রশাসন, পুলিশদের উপর যে কর্তৃত্ব তৈরি হওয়া দরকার, তা এখনো তৈরি হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “নিউজের হেডলাইনে বলা হয়েছে যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক নাজুক হয়ে গেছে। এই অবস্থায় নির্বাচন করতে গেলে সারাদেশে যে প্রস্তুতি দরকার ভোটারদের জন্য, তারিখ অনুযায়ী হাল নাগাদ করার জন্য নির্বাচন কমিশন বলছে, ‘

আমাদের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।’ তাহলে এই সময়ে কতগুলো নির্বাচন সম্ভব? দ্বিতীয়ত, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয়, অর্থনীতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তবে সেই অবস্থায় এই মুহূর্তে অতিরিক্ত খরচ নেয়া কি ঠিক হবে?”

তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহিংসতা, সংঘাত এবং অন্তর্ঘাতী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এগুলো রক্তপাতের দিকে চলে যেতে পারে, যেটা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর মধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপাতত মুখে স্লাইটলি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে, তবে স্থানীয় প্রশাসনের দিকে গেলে এটা পূর্ণমাত্রায় রাজনৈতিক সহিংসতার দিকে চলে যেতে পারে। তারা মনে করছে, দলের নেতাকর্মীদেরও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।”

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “এই বাস্তবতায়, আমি কনভিন্স না যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে দেশে কোন ধরনের ক্ষতি হবে। যেখানে যুক্তি দেয়া হচ্ছে যে স্থানীয় নির্বাচন হওয়া উচিত নয়, সেই যুক্তিগুলো জাতীয় নির্বাচনেও প্রযোজ্য। যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারবে না, সে জাতীয় নির্বাচনে কি পারবে?”

তিনি আরও বলেন, “যেই নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে পারবে না, সে জাতীয় নির্বাচনেও পারবে না। যে নির্বাচন কমিশন সারা দেশে একই দিনে নির্বাচন করতে পারে, সেই কমিশন কি জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে তেমন সক্ষম হবে?”

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “বিএনপি যদি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়, তবে তাদের আশঙ্কার কোন জায়গা আমি দেখি না। স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন যদি করা হয়, তবে সেখানে অধিকাংশ বিএনপির প্রার্থী জয়ী হবে। বিএনপি আসলে কেন নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছে না, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

ফুয়াদ বলেছেন, “বটম লাইন কি? দিন শেষে জিতবে কারা এখানে? অধিকাংশ স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জিতবে। অতএব, সেইখানে বিএনপির আশঙ্কার কোন জায়গা তো আসলে আমি জেনুইনলি দেখতে পাচ্ছি না।তার যে পপুলার ভোট, বিএনপি কে চ্যালেঞ্জ করার মত কোন পলিটিক্যাল পার্টি তো নাই।”

তিনি আরও বলেন, “ফুয়াদ বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরো মন্তব্য করে বলেন, ঠিক যে কারণে নাগরিক কমিটি, সরকার সম্পর্ক কিংস পার্টি, এই যে আলোচনাটা হচ্ছে, ধারণা করা হচ্ছে বিএনপি,

পার্টিকুলারলি তার যেহেতু একটা ওয়ান ইলেভেন এর ট্রমা আছে, সে বোধ করছে যে আমি আবার একটা ওয়ান ইলেভেনের ট্র্যাপে পড়তে যাচ্ছি কিনা?

তিনি উল্লেখ করেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন ফেইজ আউট করতে করতে, দেখা যাবে জাতীয় নির্বাচনটা আরো পিছিয়ে যাবে, হয়তো নেক্সট ইয়ার ডিসেম্বরে চলে যাবে।”

এই প্রেক্ষিতে ফুয়াদ বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ট্রমাকে সম্মান করা উচিত এবং “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়, সেখানে বিএনপিকে অনবোর্ড রেখে বিএনপিকে কনভিন্স করা উচিত।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “অন্যথায়, আমাদের গণতন্ত্রের যাত্রাটা কালেক্টিভলি আবার হোচট খাবে।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮