বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে আদিলুর রহমান খানের বাড়ির সামনে সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের ভূইয়া পাড়া এলাকায় সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিল্প, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিষয়ক উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের পৈতৃক বাড়ির সামনে একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এক পক্ষের অভিযোগ, রাস্তা সম্প্রসারণে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি এবং প্রভাব খাটানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের একটি বড় অংশ বলছেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি […]

মুন্সিগঞ্জে আদিলুর রহমান খানের বাড়ির সামনে সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ মার্চ ২০২৬, ১৭:১৮

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের ভূইয়া পাড়া এলাকায় সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিল্প, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিষয়ক উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের পৈতৃক বাড়ির সামনে একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এক পক্ষের অভিযোগ, রাস্তা সম্প্রসারণে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি এবং প্রভাব খাটানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের একটি বড় অংশ বলছেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতেই সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক কোটি টাকার একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প দরপত্রের মাধ্যমে ১০ শতাংশ কম মূল্যে ৯০ লাখ টাকায় পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওরিয়া কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার। প্রকল্প অনুযায়ী রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০০ মিটার এবং প্রস্থ ১২ ফুট নির্ধারণ করা হয়। তবে একটি মোড়ে জায়গা সংকীর্ণ হওয়ায় যানবাহন চলাচলে সমস্যা দেখা দিলে সেখানে আরও ৪ ফুট বাড়িয়ে রাস্তার প্রস্থ ১৬ ফুট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে রাস্তাটি কাঁচা ছিল এবং বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যেত। এতে এলাকার মানুষকে কাদা ও পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হতো। বর্তমানে রাস্তা নির্মাণের পর আশপাশের এলাকার মানুষ বাজার, স্কুলসহ বিভিন্ন কাজে সহজে যাতায়াত করতে পারছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ আমল থেকেই ষোলঘর বাজার থেকে কুমারবাড়ির ওপর দিয়ে ভূইয়া পাড়ার ভেতর দিয়ে একটি চলাচলের পথ ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ওই জমির মালিক হিন্দু পরিবার ভারতে চলে গেলে জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরবর্তীতে জাল দলিলের মাধ্যমে জমিটি দখল করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে ওই ১৬ ফুট প্রশস্ত পথে ইট বিছানো হয়। কিন্তু ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় জমিটি পুনরায় দখলে নেওয়া হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০০৭ সালে একটি দেওয়ানি মামলা করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়, সিএস রেকর্ডভুক্ত হিন্দু মালিকরা দেশভাগের সময় ভারতে চলে যাওয়ায় ২৪ শতাংশ জমি সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত হবে এবং জমির ওপর করা দলিল বাতিল করা হবে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক অসহযোগিতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নিম্ন আদালতে সরকার মামলায় পরাজিত হয়।

পরে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জেলা প্রশাসন বিষয়টি হাইকোর্টে আপিল করলে নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করা হয়। আদালত রুবেল গংয়ের ১২ শতাংশ জমির স্বত্ব বাতিল করেন এবং বাকি ১২ শতাংশ জমির দলিল যাচাইয়ের নির্দেশ দেন। এরপর ওই জমির একটি অংশ খাস খতিয়ানভুক্ত করে সেখানে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এদিকে রাস্তা নির্মাণের পর থেকেই একটি পক্ষ বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের দাবি, অতীতে প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের সহায়তায় জমি দখলসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, রাস্তা সম্প্রসারণে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যের জমির ওপর সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্মাণকাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ওরিয়া কনস্ট্রাকশনের কর্ণধার সাইফুর রহমান বলেন, প্রকল্প অনুযায়ীই সড়কের কাজ করা হয়েছে এবং স্থানীয় মানুষের চলাচলের সুবিধা বিবেচনায় রেখেই কিছু অংশে রাস্তার প্রস্থ বাড়ানো হয়েছে।

শ্রীনগর উপজেলা প্রকৌশলী মো. মহিফুল ইসলাম বলেন, “শুধু আদিলুর রহমান খানের বাড়ির সামনে নয়, পুরো সংযোগ সড়কটিই সংকীর্ণ ছিল। তাই সেটি প্রশস্ত করা হয়েছে, যাতে এলাকাবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন।”

এদিকে সাবেক উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের এক বাল্যবন্ধুকে সুবিধা দিতে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগও উঠেছে। তবে স্থানীয়রা জানান, ওই ব্রিজ দিয়ে আশপাশের প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করছেন এবং এতে তারা উপকৃত হচ্ছেন।

স্থানীয়দের একাংশের মতে, সড়কটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমিয়েছে। তবে অন্যদিকে ওঠা অভিযোগগুলো নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।