বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

চুয়াডাঙ্গায় ১৪ বছর পর খোলা আকাশের নিচে জেলা বিএনপির সম্মেলন

জনি আহমেদ-(চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি): আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি যে নতুন রুপে সম্মেলন করতে যাচ্ছে এটাও জেলাবাসীর কাছে চমক। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলটাই ছিলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কে পারে আওয়ামী লীগের সাথে।  তাদের জোর শক্তির ঐক্যতায় বিএনপির সাধ্য হয়নি মেইন সড়ক বা শহরের মঞ্চস্থে আলোচনা করা। সবসময় মানুষের কাছে মনে হয়েছে আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২২ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:৩৬

জনি আহমেদ-(চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি):

আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি যে নতুন রুপে সম্মেলন করতে যাচ্ছে এটাও জেলাবাসীর কাছে চমক। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলটাই ছিলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কে পারে আওয়ামী লীগের সাথে।  তাদের জোর শক্তির ঐক্যতায় বিএনপির সাধ্য হয়নি মেইন সড়ক বা শহরের মঞ্চস্থে আলোচনা করা।

সবসময় মানুষের কাছে মনে হয়েছে আওয়ামী লীগ একাই গণতান্ত্রিক দল। আর কোনো দল এ দেশে আছে। সেটা মনে করারও সুযোগ দেয়নি মানুষকে। কিন্তু হঠাৎ করেই শিলাবৃষ্টির মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যার দায়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই সবকিছু যেনো খোলসা হয়ে গেলো।

বিএনপি জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো সত্যিই যেনো প্রাণ ফিরে পেলো। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সবাই সবার মতো গুছিয়ে উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। ঠিক একইভাবে বিএনপিও যেনো জেল থেকে ছাড়া পেয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দলটি। বিভিন্ন কর্মকা-ের অংশহিসেবে হাসি আনন্দ ফুরফুরে মেজাজেই ঠিক ১৪ বছর পর স্বাধীনভাবে বিশাল এক আয়োজনের মধ্যদিয়ে সম্মেলনটি শেষ করবে জেলা বিএনপি। তবে এবার নির্ধারিত ৮০৮ কাউন্সিলদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে নেতা।

এ সম্মেলনকে ঘিরে চুয়াডাঙ্গায় কয়েকদিন ধরেই মোটরসাইকেল শোডাউন মিটিং মিছিলে সরব রয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠন। বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুনে সেজেছে পুরো শহর। দীর্ঘ ১৪ বছর বিশেষ উপেক্ষিত পার করে আগামীকাল শনিবার (২৩ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এ কারণে গোটা জেলাকে নতুন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও। তোরণ, পোস্টার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে শহরের রাজপথ। আর এতে শোভা পাচ্ছে, কেন্দ্রীয় ও জেলার শীর্ষ নেতাদের ছবি। সম্মেলনস্থল শহরের টাউন ফুটবল মাঠ সেজেছে বর্ণিল সাজে। মাঠের পশ্চিম প্রান্তে বিশাল আকৃতির মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।

সম্মেলনে ১৩ হাজার নেতাকর্মীর সমাবেশ ঘটবে এমন প্রত্যাশাই করছেন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সম্মেলনস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান। সম্মেলন উপলক্ষে প্রায় শেষ হওয়া সকল প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে দেখেন তারা। পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু। সেসময় তিনি বলেন, এবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে সম্মেলন হচ্ছে।

বিএনপি তার নিজ ঘর থেকেই গণতন্ত্র চর্চা করতে বদ্ধপরিকর। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় এই দলতে নানা নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। এখন স্বাধীনভাবে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার সময় এসেছে। নিজেদেরকে নতুন করে যাচাই করারও সময় হয়েছে।

ভোট প্রসঙ্গে বাবু খান বলেন, সম্মেলন উপলক্ষে যেসব প্রার্থী অংশ নিয়েছেন তারা সকলেই যোগ্য। আবার যারা কাউন্সিলর আছেন তারা সবাই বিচক্ষণ এবং মেধা সম্পন্ন। যার ভোট সে নিজেই দিবে, যাকে খুশি তাকেই দিবে। এখানে সবাই স্বাধীন। নিরপেক্ষভাবে ভোটাররা ভোটের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচন করবেন।

সম্মেলনের নিরাপত্তার ব্যাপারে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, সম্মেলন শান্তিপূর্ণ করতে দলের ১১শ’ স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা থাকবেন সজাগ অবস্থানে। সম্মেলন শান্তিপূর্ণ করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সম্মেলন উৎসবমূখর করতে আমাদের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

এবার জেলা বিএনপির সভপাতি প্রার্থী হিসেবে বর্তমান আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু একক প্রার্থী থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হতে চলেছেন। ফলে এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। তবে সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হবে ভোটের লড়াই। এ দুটি পদে প্রার্থী রয়েছেন ৬ জন।

এর মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন জেলা বিএনপির বর্তমান সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফ ও মিলিমা বিশ^াস মিলি। আর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লড়বেন সফিকুল ইসলাম পিটু, মির্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন ও মোমিনুর রহমান।

এবারের সম্মেলনে আরও একটি চমক হচ্ছে দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি। সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থাকবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সশরীরে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু।

এছাড়া বক্তব্য রাখবেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সঞ্চালনা করবেন সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১০ সালে বঙ্গজ ফ্যাক্টরির মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন সংগ্রাম, মামলা, হামলা, গ্রেপ্তারের কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন করতে পারেনি জেলা বিএনপি।

খানিকটা দেরিতে হলেও এবার জেলা বিএনপি বড় আয়োজনে সম্মেলন করতে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ইতিহাসে কোনো খোলা ময়দানে এতবড় আয়োজনে সম্মেলন এই প্রথম। এ সম্মেলন উপলক্ষে গত ১৪ নভেম্বর সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১১৯৮৯

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১১৯৮৯

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১১৯৮৯

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১১৯৮৯