জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেনকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাতে স্থানীয় লারোজা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে নিজেই এ ঘোষণা দেন তিনি।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন,
“ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ পরিবর্তন চায়, আর আমি সেই পরিবর্তনের বার্তা নিয়েই এসেছি। জনগণের সহযোগিতা পেলে ঠাকুরগাঁওকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যসমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তর করব।”
তিনি জানান, জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন ফোরামের ব্যানারে ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় ও দাবিনামা পেশ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,
“আমি গর্বের সঙ্গে জানাতে চাই, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও বহু বছর ধরে বন্ধ থাকা বিমানবন্দর চালু করতে আমি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রাম তুলে ধরে দেলাওয়ার বলেন,
“আমি একটানা ৫৩ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছি। প্রায় ২০০টির বেশি রাজনৈতিক মামলা দিয়ে আমাকে দমন করতে চেয়েছে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকার। কিন্তু আমি জানি, জনগণ কখনও মিথ্যার পক্ষে নয়।”
জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন বলেন,
“মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেনকে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন ফোরামের ব্যানারে ইতিমধ্যে এলাকায় তার নেতৃত্বে কার্যকর ভূমিকা রাখা হয়েছে।”
দেলাওয়ার হোসেনের প্রার্থিতা ঘোষণায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই জেলার জনগণের প্রত্যাশা এবার ভিন্নরকম কিছু—আর সেটিই দেলাওয়ার হোসেনের কথায় উঠে এসেছে: “আমরা উন্নয়ন চাই, পরিবর্তন চাই, স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার চাই।”