সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট মুখাকৃতি বানানো চিত্রশিল্পীর বাড়িতে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের আগুন

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া বাজার এলাকায় চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মানবেন্দ্রের পরিবার। আগুনে তার বাড়ির একটি কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষ একটি শোভামণ্ডপের শিল্পনির্মাণে […]

শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট মুখাকৃতি বানানো চিত্রশিল্পীর বাড়িতে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের আগুন

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:৩৮

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া বাজার এলাকায় চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মানবেন্দ্রের পরিবার। আগুনে তার বাড়ির একটি কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষ একটি শোভামণ্ডপের শিল্পনির্মাণে অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়, সেখানে প্রদর্শিত একটি শিল্পকর্মে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখাকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যদিও মানবেন্দ্র এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শেখ হাসিনার কোনো মুখাকৃতি তৈরি করিনি, আমি বাঘের মোটিফ নির্মাণ করেছি, যেটি বৈশাখী শোভাযাত্রার ঐতিহ্যবাহী উপাদান।”

এই বিতর্কের পর মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। আগুনে ঘরে থাকা বিভিন্ন চিত্রকর্ম, বইপত্র এবং আসবাবপত্র পুড়ে যায়। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন, তবে ভাগ্যক্রমে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে বুধবার (১৬ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মানবেন্দ্র ঘোষ লিখেছেন, “আমাদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।” এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মানবেন্দ্র বলেন, “আমি ও আমার পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে আরও বড় হামলার আশঙ্কা রয়েছে। আমি সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যাতে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং দোষীদের খুঁজে বের করা হয়।”

ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ। তিনি জানান, “ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।” ওসি আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত কেউ এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি, তবে আমরা সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংগ্রহ করছি।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়ি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বাসার খুব কাছেই, একই এলাকার মধ্যে অবস্থিত। এলাকাবাসীর অনেকেই ধারণা করছেন, রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই শোভাযাত্রার একটি উপাদানকে কেন্দ্র করে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গল শোভাযাত্রা জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত একটি বাঙালি নববর্ষ উদযাপনের অংশ, যেখানে প্রতীকী ভাস্কর্য ও মুখোশের মাধ্যমে সামাজিক-রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারের শোভাযাত্রায় মানবেন্দ্র ঘোষের সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি একটি শোভামণ্ডপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর আলোচনা সৃষ্টি হয়, যেখানে কিছু রাজনৈতিক দলের অনুসারীরা অভিযোগ তোলে—শেখ হাসিনার ব্যঙ্গচিত্র নির্মাণ করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে শিল্পীর নিরাপত্তা, শিল্পের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা—এই তিনটি ইস্যু আবারও জনমনে প্রশ্ন তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই লিখেছেন, “শিল্পের ব্যাখ্যা যদি ভুল হয়, তাহলে দায় কি কল্পনার ওপর পড়ে?” কেউ কেউ আবার এটিকে সুশৃঙ্খল দমননীতির অংশ বলেও উল্লেখ করেছেন।

সরকারি পর্যায় থেকে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই অগ্নিসংযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে মানবাধিকার সংগঠন এবং শিল্পমহলের প্রতিনিধিরা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন উঠছে—একজন শিল্পীর কল্পনা ও সৃষ্টিশীলতা যদি রাজনৈতিক প্রতিশোধের শিকার হয়, তাহলে সে সমাজ কতটা নিরাপদ, কতটা সহনশীল? মানবেন্দ্র ঘোষের ঘটনায় সেই প্রশ্ন আরও একবার সামনে উঠে এসেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৭