সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে দেরি কেন, বিএনপি জানতে চায়

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সংযোগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে তিন ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর পরপরই, পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়—সরকারের নিরপেক্ষতা কি আদৌ আছে? এই প্রশ্ন তীব্রতর হয়েছে যখন এক ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ‘জাতীয় নাগরিক […]

নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে দেরি কেন, বিএনপি জানতে চায়

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:০৭

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সংযোগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে তিন ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর পরপরই, পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়—সরকারের নিরপেক্ষতা কি আদৌ আছে?

এই প্রশ্ন তীব্রতর হয়েছে যখন এক ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’ নামে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে যোগ দেন। আর এখনো সরকারে রয়েছেন আরও দুই ছাত্র প্রতিনিধি, যাদের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ থাকবে। কিন্তু এখন বিভিন্ন মহল থেকে সরকারের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আমরা চাই না, এই সরকারকে নিয়ে জনগণের মনে অবিশ্বাস তৈরি হোক। কিন্তু সেই অবিশ্বাস যদি গভীর হয়, তাহলে সেটি হবে জাতীয় দুর্ভাগ্য।”

বিএনপির পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হচ্ছে না কেন? এই বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জনগণের পক্ষ থেকেই প্রশ্ন উঠছে—প্রধান উপদেষ্টা কি নতুন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সময় দিচ্ছেন? নইলে রোডম্যাপ ঘোষণা বিলম্বিত হচ্ছে কেন? আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশনকে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে না।”

সরকারের নিরপেক্ষতার ঘাটতিকে বিএনপি সরাসরি ‘ফ্যাসিবাদের উন্মুক্ত পথ’ বলে আখ্যায়িত করেছে। আমীর খসরু বলেন, “যখন সরকার নিজেরা নির্বাচন নিয়ে দ্বিধায় থাকে, তখন ফ্যাসিস্টদের জন্য পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দেশের মানুষ আজ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত করতে হলে, সরকারকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে—কোনো রাজনৈতিক পক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় নয়।”

সরকারি দায়িত্বে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, “যদি সরকার ছাত্রদের পক্ষ নেয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো একে ভিন্নভাবে দেখবে। ইতোমধ্যে তাই দেখা যাচ্ছে। ছাত্ররা যদি নিজেই রাজনৈতিক দল করে এবং ক্ষমতার অংশে থাকে, তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত সুবিধা পাবে। তাই তাদের উচিত এখনই সরে যাওয়া।”

সরকারের বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছাত্র প্রতিনিধিদেরও অপসারণের দাবি উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার যদি নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করতে চায়, তবে তাদের এই ছাত্ররাজনীতি ঘেঁষা কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বিএনপির স্পষ্ট ভাষায় দাবি—এই সরকারকে প্রমাণ করতে হবে, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ নয়, বরং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্যই গঠিত অন্তর্বর্তী কাঠামো। আর এই প্রমাণের প্রথম ধাপ—নির্বাচনের রোডম্যাপ দ্রুত ঘোষণা করা।

জনগণ এখন অপেক্ষায়—রোডম্যাপ আসবে, নাকি আবারও সময় টেনে ক্ষমতা ধরে রাখার চক্রান্ত চলবে?

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৭