রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘কোনো দল পারে নাই , তরুণরাই স্বৈরাচারী হাসিনার পতন ঘটিয়েছে’

দেশের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান তরুণদের হাত ধরেই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পতন কোনো রাজনৈতিক দলের দ্বারা ঘটেনি, বরং তরুণ প্রজন্মই এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি ছিল। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পিআইবিতে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে বিশেষ এক রাজনৈতিক দলের প্রসঙ্গ […]

‘কোনো দল পারে নাই , তরুণরাই স্বৈরাচারী হাসিনার পতন ঘটিয়েছে’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২০:২৪

দেশের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান তরুণদের হাত ধরেই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পতন কোনো রাজনৈতিক দলের দ্বারা ঘটেনি, বরং তরুণ প্রজন্মই এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি ছিল।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পিআইবিতে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে বিশেষ এক রাজনৈতিক দলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমাদের বুড়ো নেতৃত্ব যেটা পারেনি, তরুণদের নেতৃত্ব সেটাই করে দেখিয়েছে। বারবার বড় বড় মিছিল হয়েছে নয়াপল্টনের সামনে, কিন্তু ফল আসেনি। আমাদের অপেক্ষা করতে হলো নাহিদ, আসিফ, মাহফুজদের জন্য, যারা সত্যিকারের নেতৃত্ব দিতে পেরেছে।”

প্রেস সচিব আরও বলেন, “দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেখ হাসিনার পতন ঘটাতে পারেনি। কিন্তু তরুণরা তা সম্ভব করেছে। বৈষম্যহীন দেশ গঠনের জন্য তরুণদের উজ্জীবিত রাখা জরুরি। তাদের শক্তি, তাদের সাহসই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুধু নির্বাচন ও সংস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য আরও গভীর সংস্কারের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, “গুম, নিপীড়ন, আয়নাঘরের উৎপত্তি শেখ মুজিবের শাসনামলেই হয়েছে। শেখ হাসিনা সেই একনায়কতন্ত্রকেই প্রতিষ্ঠিত করেন। দেড় দশক ধরে অত্যাচার ও নিপীড়নের যে তথ্য সংরক্ষিত হয়েছে, তা এখন জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা শুধু রাষ্ট্রযন্ত্রকেই ধ্বংস করেননি, বরং দেশের জনগণের মনোজগতিক কাঠামোকেও বিপর্যস্ত করে গেছেন। তাই এই জাতিকে পুনর্গঠন একটি বিশাল প্রকল্প। এটি কেবল নির্বাচন বা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের মাধ্যমে সম্ভব নয়, বরং সামগ্রিকভাবে সমাজব্যবস্থার পুনর্গঠন প্রয়োজন।”

এই আলোচনা অনুষ্ঠানটি তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে গভীর আলোচনা করেছে। বক্তারা সবাই একমত হন যে, নতুন বাংলাদেশ গঠনের চাবিকাঠি তরুণদের হাতেই রয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫৬১

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫৬১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৭৪

রাজনীতি

বিপাকে পড়েছেন তাসনিম জারা ! ইসির সব পথ বন্ধ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছে

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ? বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ?

বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, তবে আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এই ১% স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা থাকে না।

এর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন, সম্পদের বিবরণী এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ছবি ও হলফনামা জমা দিতে হয়, যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূরণ করতে হয়।

এই শর্ত অনুযায়ী তাসনিম জারা গতকাল থেকে নির্বাচনী এলাকার খিলগাঁও থেকে স্বাক্ষর নেওয়া শুরু করেছেন।

কিন্তু আজ জানা গেলে তিনি বিপদে পড়েছেন। যেহেতু ভোটারদের সিরিয়াল নম্বর প্রয়োজন, কিন্তু সেই সিরিয়াল নম্বর পাওয়ার ৫টি উপায় আছে। সব কয়টি পথ বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন-এমনটাই জানালেন ঢাকা ৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।

তাসনিম জারা বলেন, ভোটার নম্বর লাগবে।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো উপায় রাখেনি যে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। ৫ উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। এক হলো এসএমএস করে, অনলাইনে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। কল করে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে।

কিউ আর কোড ব্যবহার করে পাওয়া যাবে। তো পাঁচটি উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যায়, কিন্তু একটা উপায়ও কার্যকর নয়।

তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হব, এ ক্ষেত্রে ভোটার নম্বর লাগবে। কিন্তু ভোটার নম্বর পাওয়া যাচ্ছে।

একদম অসম্ভব করে রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটা পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’

এদিকে এই অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ভোটার সিরিয়াল নম্বর পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। কেননা আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫৬১