রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আপনারা ডেভিল ধরতে না পারলে যুবদলকে দায়িত্ব দিন, গর্ত থেকে টেনে বের করব

জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দেশের ভেতরে ও বাইরে বসে তারা নানা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয়। তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, […]

আপনারা ডেভিল ধরতে না পারলে যুবদলকে দায়িত্ব দিন, গর্ত থেকে টেনে বের করব

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৮:১৪

জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দেশের ভেতরে ও বাইরে বসে তারা নানা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয়। তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, শুধু নিম্নস্তরের দোসরদের ধরলেই হবে না, প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়েও যারা এখনো সক্রিয়, তাদেরও খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, “সচিবালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বসে থাকা ডেভিলদের ধরুন। যদি আপনারা না পারেন, তাহলে যুবদলকে দায়িত্ব দিন, আমরা তাদের গর্ত থেকে টেনে বের করব।”

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যুবদলের রাজনীতি করতে হলে জনগণের পাশে থাকতে হবে, তাদের হৃদয়ের ভাষা বুঝতে হবে এবং ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। তারেক রহমানের নির্দেশ মেনে আমরা রাজনীতির গুণগত মানের পরিবর্তন করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য শুধু দলকে শক্তিশালী করা নয়, বরং জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমে রাজনীতির আদর্শিক মডেল তৈরি করা।” তিনি যুবদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় প্রণীত সকল বিতর্কিত আইন বাতিল করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের দলীয় চেয়ারপারসন এই সরকারকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন। তার নির্দেশেই আমরা বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাব। তবে আমরা সরকারের কাছে একটি দাবি জানাই— অবিলম্বে ন্যূনতম সংস্কার করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। যাতে ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত মানুষ তাদের নিজস্ব পছন্দমতো শাসক বেছে নিতে পারে।”

তিনি আয়নাঘরসহ জনগণের ওপর বিগত সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, “এই সরকার শুধু ভিন্ন মত দমনই করেনি, বরং মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতাকেও খর্ব করেছে। আলেম সমাজের ওপর যে ভয়াবহ দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তা নজিরবিহীন। মসজিদে খুতবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কড়া নিয়ন্ত্রণ ছিল। কি বলা যাবে, কি বলা যাবে না, তা নির্ধারণ করত সরকার। নানা অজুহাতে মামুনুল হকসহ শীর্ষ আলেমদের জেলে বন্দি করা হয়েছিল।”

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই কিশোর গ্যাং তৈরি হয়েছে গত ১৭ বছরে। তাদের বয়স কত? কারা তাদের লালন-পালন করেছে? কারা তাদের অস্ত্র হাতে তুলে দিয়েছে? যারা ১৭ বছর ধরে রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে এই গ্যাং সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে, তাদেরই আগে গ্রেপ্তার করুন। এই কিশোর গ্যাংয়ের সন্ত্রাস, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি— এসবের জন্য সাবেক স্বৈরাচারী সরকার ও তাদের দোসররাই দায়ী। তারা এখনো দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, সুযোগ বুঝে আবারও ফিরে আসার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, নির্বাচনে হেরে গেলে কেউ ফিরে আসতে পারে। কিন্তু জনগণ যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তাকে উৎখাত করে, সে আর ফিরে আসার সুযোগ পায় না।”

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মোহম্মদপুরবাসীর বীরত্বের প্রশংসা করেন এই যুবনেতা। তিনি বলেন, আপনারা হাসিনার খুনি বাহিনীর সামনে যেভাবে বুক পেতে দিয়েছেন, সেটি সারা দেশে প্রশংসা পেয়েছে। যে স্বপ্ন নিয়ে আপনারা এই আন্দোলনে নেমেছিলেন, এখন সময় এসেছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের। আর এ জন্য যুবদল সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।

এ সময় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে সতর্ক করে শরীফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, আমরা শুনছি মোহাম্মদপুরে হত্যাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে পুলিশ। আমি আপনাদের সাবধান করছি, এমন হলে যুবদল রাজপথে নামবে। তখন নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন না।

কর্মিসভার আয়োজনে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা কেউ এমন কিছু করবেন না, যাতে যুবদলের বদনাম হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলে বিশৃঙ্খলার কোনো সুযোগ নেই, গ্রুপিংয়ের সুযোগ নেই। কোনো হাইব্রিড নেতাকর্মীকে আশ্রয়-প্রশ্রয়েরও সুযোগ নেই। বিগত দিনগুলোতে যুবদলের যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে, নির্যাতিত হয়েছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছে; তারাই ভবিষ্যতে যুবদলের নেতৃত্বে আসবে।

কর্মিসভায় মোহাম্মদপুর থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লের সভাপত্বিতে কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম আহসান মাসুম, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান টিটু, ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি লিটন মাহমুদ বাবু।

বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর মোহাম্মদপুরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় মোহাম্মদপুর থানা যুবদলের সদ্য সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আলামীন, আইয়ুব আলী, মোকছেদুল হাসান মিন্টু, ইলিয়াস হোসেন, শেরেবাংলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আতিকুর রহমান অপু, সাধারণ সম্পাদক শাহ জামাল বাবু, আদাবর থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবু, ৩৩ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক এস এম দোলন, সদস্য সচিব ইব্রাহিম সরদার; ৩১ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক শাহ আলম, সদস্য সচিব স্বপন; ৩৪ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক জাকির; ২৯ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন, সদস্য সচিব আলামীন; ২৮ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক রুহুল কুদ্দুস, সাবেক ৩০ ওয়ার্ডের সভাপতি হেলাল আহমেদ রাজু, ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সচিব মোস্তফা গাজী দুদু, যুবনেতা ইমরান হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মোল্ল্যা, জাসাস নেতা খান আহসান রেজা, মোহাম্মদপুর থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব শাকিল মোল্লাসহ মোহাম্মদপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫৬১

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৭৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫৬১

রাজনীতি

বিপাকে পড়েছেন তাসনিম জারা ! ইসির সব পথ বন্ধ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছে

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ? বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ?

বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, তবে আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এই ১% স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা থাকে না।

এর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন, সম্পদের বিবরণী এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ছবি ও হলফনামা জমা দিতে হয়, যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূরণ করতে হয়।

এই শর্ত অনুযায়ী তাসনিম জারা গতকাল থেকে নির্বাচনী এলাকার খিলগাঁও থেকে স্বাক্ষর নেওয়া শুরু করেছেন।

কিন্তু আজ জানা গেলে তিনি বিপদে পড়েছেন। যেহেতু ভোটারদের সিরিয়াল নম্বর প্রয়োজন, কিন্তু সেই সিরিয়াল নম্বর পাওয়ার ৫টি উপায় আছে। সব কয়টি পথ বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন-এমনটাই জানালেন ঢাকা ৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।

তাসনিম জারা বলেন, ভোটার নম্বর লাগবে।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো উপায় রাখেনি যে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। ৫ উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। এক হলো এসএমএস করে, অনলাইনে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। কল করে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে।

কিউ আর কোড ব্যবহার করে পাওয়া যাবে। তো পাঁচটি উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যায়, কিন্তু একটা উপায়ও কার্যকর নয়।

তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হব, এ ক্ষেত্রে ভোটার নম্বর লাগবে। কিন্তু ভোটার নম্বর পাওয়া যাচ্ছে।

একদম অসম্ভব করে রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটা পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’

এদিকে এই অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ভোটার সিরিয়াল নম্বর পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। কেননা আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৭৪