শনিবার, ০২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণ রাজপথেই সিদ্ধান্ত নেবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদে সমাধান না হলে জনগণই রাজপথে এর সিদ্ধান্ত নেবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ (বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, জনগণের দীর্ঘ আন্দোলন, ত্যাগ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে যে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, সেটিকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য সংসদের […]

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণ রাজপথেই সিদ্ধান্ত নেবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ মে ২০২৬, ২৩:৫৯

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদে সমাধান না হলে জনগণই রাজপথে এর সিদ্ধান্ত নেবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ (বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জনগণের দীর্ঘ আন্দোলন, ত্যাগ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে যে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, সেটিকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে সরকারকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্য।

শুক্রবার (১ মে) দুপুরে রংপুর মডেল কলেজের হল রুমে জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগর ও জেলা শাখার বাছাইকৃত রুকন সদস্যদের তিন দিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ পেয়েছি। প্রায় দেড় হাজারের বেশি ছাত্র-যুবকের আত্মদানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছে। আমি এটিকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা মনে করি। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছি। জেল থেকে মুক্ত হয়েছি এবং জনগণের ভোটে সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সংসদে গিয়ে তারা (জামায়াত) গণভোট বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ এর শপথ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু বিএনপি সেই শপথ নেয়নি এবং সংসদে গিয়ে বেশ কয়েকটি মৌলিক অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করেছি, সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেছি এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছি। এখন সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন করছি, যাতে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হয়।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথা বলেছেন। সেখানে সরকার ১২ জন সদস্য দিয়েছে এবং বাকি পাঁচজনের নাম জামায়াতের কাছে চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলীয় ও সংসদীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও ঐক্যের রাজনীতি নিয়ে বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে হয়েছে, আর বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৮ সালে। আপনাদের দলে মুক্তিযোদ্ধা থাকতে পারে, জামায়াতেও মুক্তিযোদ্ধা আছেন। অথচ আপনারাই আবার ঐক্যের কথা বলে বিভেদের রাজনীতি করছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি ছিল প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভূমিকাও ছিল উল্লেখযোগ্য।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে যে রায় দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন করা হলে তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর বাস্তবায়ন না হলে জনগণ রাজপথেই এর ফয়সালা করবে। বিএনপিকে ভুলের রাজনীতি থেকে বের হতে হবে। জনগণের গণরায় উপেক্ষা করে ক্ষমতা আর গায়ের জোরে সবকিছু করতে চাইলে হবে না।

এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর সহকারী অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর মহানগর আমির এটিএম আযম খান, মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, মহানগর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আলাষ আমিন হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাউসার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬১

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬১