শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ড. ইউনূসের বক্তব্যের পরই বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি করলেন জয়শঙ্কর

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন বাস্তবতা ও আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চলকে স্থলবেষ্টিত হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশকে সমুদ্রগামী প্রবেশাধিকারের ‘প্রাকৃতিক অভিভাবক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন—ঠিক তখনই তড়িঘড়ি করে প্রতিক্রিয়া জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানায়, জয়শঙ্কর দাবি করেছেন বঙ্গোপসাগরের দীর্ঘতম […]

ড. ইউনূসের বক্তব্যের পরই বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি করলেন জয়শঙ্কর

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:৩৭

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন বাস্তবতা ও আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চলকে স্থলবেষ্টিত হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশকে সমুদ্রগামী প্রবেশাধিকারের ‘প্রাকৃতিক অভিভাবক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন—ঠিক তখনই তড়িঘড়ি করে প্রতিক্রিয়া জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানায়, জয়শঙ্কর দাবি করেছেন বঙ্গোপসাগরের দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের, এবং তার ভাষায়, “ভারতের উপকূলরেখা প্রায় ৬,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ—যা এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ।”

এই মন্তব্যটি এসেছে ড. ইউনূসের বক্তব্যের পরপরই, যেটি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হলেও ভারতের হিন্দুত্ববাদী কূটনৈতিক বলয়ের চোখে পড়েছে এক ধরনের ‘সাহসী সত্যানুশীলন’ হিসেবে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না।

জয়শঙ্করের বক্তব্যে ‘আঞ্চলিক একত্রীকরণ’ আর ‘বাণিজ্যিক সংযোগ’ এর চর্চা থাকলেও, সেটি যে স্পষ্টভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব থেকেই উৎসারিত, তা আর গোপন থাকছে না। তিনি বলেন, “আমরা পাঁচটি বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করি এবং ভারতীয় উপমহাদেশ ও আসিয়ান অঞ্চলের মধ্যে সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করি।”

বস্তুত, ভারত বরাবরই ‘চিকেনস নেক’ করিডোরের দুর্বলতা, সেভেন সিস্টার্সের বিচ্ছিন্নতা, এবং ভূ-রাজনৈতিক দুর্বলতার বিষয়ে সংবেদনশীল। ড. ইউনূস যখন বাস্তবতাকে তুলে ধরে বলেন, “ভারতের এই সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত, যাদের সমুদ্রের সঙ্গে কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। ফলে এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রগামী বাণিজ্যের একমাত্র প্রবেশদ্বার বাংলাদেশ”—তখন এটি হয়ে ওঠে ভারতের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অহমিকার ‘চোখের কাঁটা’।

জয়শঙ্কর দাবি করেন, “ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এখন একটি ‘সংযোগ কেন্দ্র’—যেখানে সড়ক, রেল, নৌপথ, বিদ্যুৎ ও পাইপলাইনের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।” কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সংযোগ যদি এতই বিস্তৃত হয়, তাহলে কেন বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে একবিংশ শতকের এমন উন্মুক্ত বাস্তবতায়ও ভারত নিজেকে বিচ্ছিন্ন বোধ করে?

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জয়শঙ্করের এই বক্তব্য মূলত রাজনৈতিক চাপে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া, যার উদ্দেশ্য একটাই—ড. ইউনূসের বাস্তবভিত্তিক কথাকে আড়াল করা এবং ভারতের অপ্রস্তুত ভূ-কৌশলগত অবস্থান ঢেকে ফেলা।

যেখানে ড. ইউনূস আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সহযোগিতার একটি ন্যায্য ও অংশীদারিত্বমূলক রূপরেখা দিচ্ছেন, সেখানে জয়শঙ্কর সেই আলোচনাকে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় পরিণত করতে চাইছেন।

তিনি একদিকে বলছেন, “সহযোগিতা হতে হবে পক্ষপাতহীন”—অন্যদিকে স্পষ্টভাবে বাংলাদেশের যুক্তিসঙ্গত ভূ-পলিটিকাল অবস্থানকে অস্বীকার করছেন।

বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, এমনকি ভারতের সেভেন সিস্টার্স—all are part of a regional destiny—এ কথা বলা নতুন কিছু নয়। কিন্তু এই বাস্তবতাকে মেনে নিতে এখনো ভারতীয় রাজনীতির একাংশ প্রস্তুত নয়। বরং তারা এখনো পুরনো ঔপনিবেশিক মানসিকতা নিয়েই প্রতিবেশী রাজনীতিকে চালাতে চায়।

তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসের বক্তব্য ছিল সাহসিকতা ও আঞ্চলিক নেতৃত্বের বাস্তব প্রকাশ। আর ভারতের জয়শঙ্করের বক্তব্য—একটি প্রতিক্রিয়াশীল জাতীয়তাবাদী প্যাঁচানো মনোভাবের প্রতিচ্ছবি, যা আঞ্চলিক ঐক্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৫

আন্তর্জাতিক

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধ, ভারতীয় দুই সেনাসহ নিহত ১৪

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় দুই সেনাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযানে যান। এসময় তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের ভয়ঙ্কর বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এতে অন্তত ১২ জন মাওবাদী এবং দুই সেন সদস্য নিহত হন। এনকাউন্টার চলাকালীন দুই জওয়ান প্রাণ হারানোর পাশাপাশি অপর দু’জন […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪:১২

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় দুই সেনাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযানে যান। এসময় তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের ভয়ঙ্কর বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

এতে অন্তত ১২ জন মাওবাদী এবং দুই সেন সদস্য নিহত হন।

এনকাউন্টার চলাকালীন দুই জওয়ান প্রাণ হারানোর পাশাপাশি অপর দু’জন সেনা সদস্যও আহত হয়েছে। তাদরেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা কর্মীদের একটি দল যখন মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালাচ্ছিলেন, তখন সকালের সময় ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান এলাকার একটি ঘন জঙ্গলে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বন্দুকযুদ্ধে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে।”

তিনি যোগ করেন, যে এলাকায় একটি বিরতিহীন গুলি বিনিময় এখনও চলছে, আরও বিশদ বিবরণের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ, এবং কর্তৃপক্ষ উচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি, নিশ্চিত করেছেন যে এনকাউন্টারে নিহত একজন জওয়ান ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং অপরজন মাওবাদী বিরোধী অভিযানে বিশেষজ্ঞ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) রাজ্য-স্তরের সদস্য ছিলেন।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৫

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভারতের জন্য জটিলতা তৈরি করেছে: শশী থারুর

ভারতের কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য শশী থারুর বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ভারতের জন্য কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে। তিনি মনে করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা। সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে এক বইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২:১৭

ভারতের কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য শশী থারুর বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ভারতের জন্য কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে। তিনি মনে করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে এক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শশী থারুর বাংলাদেশ ইস্যুকে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিবেশী দেশটিতে যদি শত্রুভাবাপন্ন সরকার ক্ষমতায় আসে, তবে ভারত বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। আমাদের উচিত, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সম্প্রদায়ের প্রতি উদ্বেগের চেয়ে বাংলাদেশের জনগণের সার্বিক কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা।

তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট দেশ কে শাসন করবে, তা ভারত নির্ধারণ করতে পারে না। বরং আমাদের উচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করার কৌশল রপ্ত করা।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে শশী থারুর বলেন, আমি মনে করি না যে তাদের শত্রুভাবাপন্ন বলা যায়। তবে একই সঙ্গে আমাদের কিছু সতর্কতাও বজায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই নিবিড়ভাবে, সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কারণ তাদের অবস্থান আমাদের ঠিক পাশেই।

শশী থারুর মনে করেন, ভারতের উচিত স্পষ্টভাবে জানানো যে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চেয়ে পুরো দেশের মানুষের কল্যাণে বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ভারতের উচিত এটা বোঝানো যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর চেয়ে সমগ্র বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চায়।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৫

আন্তর্জাতিক

আর গুঞ্জন নয়, দিল্লি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো শেখ হাসিনাকে

গেল বছর ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন সাবেক পতিত শেখ হাসিনা।সেসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও আশ্রয় দেয় ভারত। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর বলছে ভারত শেখ হাসিনার জন্য নিশ্চিত করেছে সাদা পোশাকের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দুই দিনের মধ্যে তাকে সড়িয়ে নেওয়া হয় দিল্লিতে। […]

আর গুঞ্জন নয়, দিল্লি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো শেখ হাসিনাকে

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০২৫, ১৪:৪৭

গেল বছর ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন সাবেক পতিত শেখ হাসিনা।সেসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও আশ্রয় দেয় ভারত।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর বলছে ভারত শেখ হাসিনার জন্য নিশ্চিত করেছে সাদা পোশাকের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।

শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দুই দিনের মধ্যে তাকে সড়িয়ে নেওয়া হয় দিল্লিতে। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন এই শেখ হাসিনা। তবে, এবার সেখান থেকেও তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঠিক কি কারণে আর কোথায় সরানো হলো হাসিনাকে?

এর আগেও দিল্লি থেকে হাসিনাকে সরিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন উঠেছিলো। তবে তখন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্যা প্রিন্ট তাদের একটি নিউজে হাসিনার দিল্লির অবস্থান তুলে ধরে। তাদের সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী হাসিনা দিল্লির একটি বিশেষ এলাকার নিরাপত্তা বেষ্টিত একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয় হাসিনা যে এলাকায় বসবাস করছেন সেখানে ভারতীয় বর্তমান ও সাবেক অনেক এমপি মন্ত্রীদের বাড়ি রয়েছে।

তবে এবার আর গুঞ্জন নয়, বিশ্বস্ত সূত্রের খবর শেখ হাসিনাকে নিরাপত্তার ইস্যুতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দিল্লি থেকে।

দিল্লির একটি জাতীয় দৈনিকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দিল্লি থেকে সরিয়ে হাসিনাকে স্ট্যান্ড কমান্ডের একটি নিরাপদ জোনে রাখা হয়েছে। যদিও ভারতীয় প্রসাশনের কেউ এ বিষয়ে কোন স্পষ্ট বক্তব্য এখনো পর্যন্ত দেয়নি।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৫