শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

সমকামীতা, লিভটুগেদার ও পরোকিয়া প্রমোটকারী ফারুকীকে প্রত্যাহার করতে হবে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, সমকামীতা, লিভটুগেদার ও পরোকিয়া প্রমোটকারী চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টার পদ থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। রুচি ও চিন্তা ভ্রষ্ট কোন মানুষকে উপদেষ্টা দেখতে চায় না দেশবাসী।   ফারুকীর মতো […]

নিউজ ডেস্ক

১১ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৩৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, সমকামীতা, লিভটুগেদার ও পরোকিয়া প্রমোটকারী চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টার পদ থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। রুচি ও চিন্তা ভ্রষ্ট কোন মানুষকে উপদেষ্টা দেখতে চায় না দেশবাসী।

 

ফারুকীর মতো অসুস্থ মানসিকতার লোককে উপদেষ্টা বনানোর জন্য হাজার হাজার ছাত্র-জনতা জীবন দেয়নি। জীবন দিয়েছে দেশপ্রেমিক আদর্শ নাগরিকদের মাধ্যমে একটি নতুন কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। সেই আদর্শ নাগরিকদের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে বাংলাদেশ। আওয়ামী সুবিধাভোগী, দোসর ফারুকী দেশের নাগরিক হলেও উচ্ছিষ্টভোগী বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ব্যস্ত থেকেছে।

 

চলচ্চিত্র নির্মাতা হয়েও জাতীয় চেতনা, বোধ, বিশ্বাস ও জাতিসত্তাকে ধারণ করে নাটক-সিনেমার মাধ্যমে সুস্থ ধারার বিনোদন দিতে যে ব্যর্থ হয়েছে সে কিভাবে উপদেষ্টা হয়, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এজন্য আমরা অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো অতিসত্বর মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টা থেকে প্রত্যাহার করুন। যাকে তাকে ধরে এনে উপদেষ্টা বানাবেন না। উপদেষ্টা বানানোর আগে দেখবেন দেশ, জাতি-মানবতার জন্য তার কি অবদান রয়েছে।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন অশ্লীলতা প্রসারকারী জনাব মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা হলেন? জুলাইবিপ্লবের সময়ে উনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী স্টাটাস দিছিলেন তাই?
তাহলে যারা ফ্যাসিবাদের আমলে নির্যাতিত, দেশান্তরি হয়েছেন তাদেরকেও ধরে এনে উপদেষ্টা বানান! একই প্রশ্ন শেখ বশির উদ্দিনের ক্ষেত্রেও। সেও আওয়ামী লীগ আমলে সুবিদাভোগী।

 

তাকে কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা করা হলো? যাকে আপনার ভালো লাগে, যার সাথে আপনাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে তাকে রাষ্ট্রীয় পদে পদায়িত করার জন্য জনতা রাজপথে লড়াই করেনি।
উপদেষ্টা নিয়োগে লোক বাছাই করে কারা? কে কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা হলেন তা দেশবাসী জানতে চায়।

বিনোদন

ম্যাডাম নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ খাচ্ছেন : হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কনকচাঁপা

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে না পারলেও তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। ফাতেমা তাকে জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:১৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে না পারলেও তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়।

ফাতেমা তাকে জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করছেন এবং আগের তুলনায় তার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে।

ফাতেমার ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া মাঝে মাঝে চোখ খুলছেন এবং পরিবেশ সম্পর্কে ক্ষণিকের জন্য হলেও সাড়া দিচ্ছেন। এ তথ্য জানার পর কনকচাঁপা বলেন, “আমরা সারা দেশের মানুষ তার সুস্থতার জন্য দোয়া করছি। আমি বিশ্বাস করি, লাখো মানুষের দোয়ার মধ্যে অন্তত কারোর দোয়া আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।” তিনি আরও প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন যেকোনো উপায়ে দেশনেত্রীকে সুস্থতা ও আরাম দান করেন।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করেন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। তিনি লিখেন, “ম্যাডামের ভালো থাকার স্বার্থেই হাসপাতালে ভিড় না করাই ভালো—এ কথা মাথায় রেখেই এতদিন দূর থেকে দোয়া করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন আর মানল না। নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে তার কক্ষের সামনে পর্যন্ত গেলাম।”

হাসপাতালে কনকচাঁপার দেখা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুল রহমান শিমুল বিশ্বাস, উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, ডা. জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহিনা খান জামান বিন্দু এবং ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নানসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকেও তিনি খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক আপডেট নেন।

দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতোই সাধারণ মানুষও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া অব্যাহত রেখেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই গণমাধ্যম ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে তার চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘মা-বাবাকে গালি দিলেই সহ্য করা যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে কিছু বললে তার বান্দারা তো চুপ থাকবে না’ : সালমা

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:০৪

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ মানুষের দাবি—অভিযুক্তের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা।

এমন বিতর্কের মধ্যে বাউল আবুল সরকারের ওই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, কারও ব্যক্তিগত মন্তব্যের দায় পুরো শিল্পীসমাজ নেবে না। সালমা বলেন, “আপনারা গান করেন, বাউল পরিচয়ে চলেন। কিন্তু এমন কিছু করবেন না, যার জন্য পুরো শিল্পীসমাজ লজ্জিত হয়।

সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। এটা আমাদের হৃদয়ে আঘাত করে। মা-বাবাকে গালি দেওয়া যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে অপমান করলে তাঁর বান্দারা চুপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “সৃষ্টিকর্তা ও রাসুলকে অসম্মান করার অনুমতি কেউ আপনাকে দেয়নি। আপনার এই কাজ পুরো শিল্পীসমাজকে কলঙ্কিত করেছে, আর এই দায় আমরা নেব না। একজন প্রকৃত বাউল কখনও কাউকে কষ্ট দিতে পারে না, অপমান করতে পারে না।”

সালমা দাবি করেন, আবুল সরকারের ভিডিও দেখে তাঁর মনে হয়নি এটি কোনো ভুলভাল কথা বা মুখ ফসকে বলা মন্তব্য। বরং তিনি মনে করেন, আবুল সরকার সচেতনভাবে আল্লাহকে নিয়ে কৌতুক করেছেন। “এটা কৌতুক করার বিষয় নয়”—জোর দিয়ে বলেন সালমা।

গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় খালা পাগলীর মেলায় পালাগানের মঞ্চে আবুল সরকারের আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। ঘটনার পর ৫ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরের একটি গানের আসর থেকে তাঁকে আটক করে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরদিন তাঁকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ধর্ম অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ বাড়ছে, আর শিল্পীসমাজ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো হচ্ছে।