রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

একজন তৌহিদ মুন্সী চরাঞ্চল মানুষের আশার আলো

ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জে একজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে সমাজসেবক, দানশীল এবং মানবিক ডাক্তার খুবই পরিচিত। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে একজন ব্যক্তিত্বের মাঝে আলোকিত মানুষ।  গরীব দুঃখী মানুষের ডাক্তার খ্যাত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দানকারী, কিংবদন্তি মানুষ, সমাজসেবক হিসেবে খুবই পরিচিত ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা-সাহিত্য- […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:৪৯

ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জে একজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে সমাজসেবক, দানশীল এবং মানবিক ডাক্তার খুবই পরিচিত। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে একজন ব্যক্তিত্বের মাঝে আলোকিত মানুষ। 

গরীব দুঃখী মানুষের ডাক্তার খ্যাত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দানকারী, কিংবদন্তি মানুষ, সমাজসেবক হিসেবে খুবই পরিচিত ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা-সাহিত্য- ইসলামি সংস্কৃতি এবং সার্বজনীন জীবনব্যবস্থার প্রচার-প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি চরআত্রার প্রথম এমবিবিএস ও ভালো ডাক্তার দয়ালু ও বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর সামগ্রিক জীবন পর্যালোচনা করলে বলা যায় দায়বদ্ধ সমাজ পরিবর্তনের এক স্বাপ্নিক কারিগর বলা যায়। তিনি একজন ধর্মপরায়ণ মুসলিম। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ, সৎ, আন্তরিক, অমায়িক এবং বিনয়ী ব্যক্তি হিসেবে সকলের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর মধ্যে নেই কোনো অহমিকা বা অহংকার বোধ।

বরং তিনি সকল স্তরের মানুষকে খুব সহজেই বুকে টেনে নেন। এজন্য সকলের কাছে তাঁর রয়েছে আলাদা ও স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা। ইসলামী দ্বীনের প্রচার-প্রসারে তিনি অত্যন্ত নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্ব। বিশেষ করে ইসলামের প্রচার-প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 একটি ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ পরিবারের উত্তরাধিকারী। তিনি ১৯৭৫ সালে ২৯ নভেম্বর শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন চরআত্রা ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুন্সী মেজবাহ্ উদ্দীন আহম্মেদ সাহেব। একজন পরোপকারী ও সমাজ সেবক হিসেবে তার বাবা সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন।

তৌহিদ মুন্সী স্বাস্থ্য সেবায় তাঁর কর্মজীবনে এটাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ দিন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মরত আছেন। তিনি অত্যন্ত যোগ্যতা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। যা তাঁকে এনে দেয় মানবিক সম্মান এবং মর্যাদা। সকলের কাছে তিনি একজন কর্তব্যপরায়ণ আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জের গরিবের ও মানবিক ডাক্তার হিসেবে পরিচিত।রোগীদের সাথে অমায়িক ব্যবহার করতেন তিনি। রোগী থেকে শুরু করে রোগীর স্বজনদের সাথেও ছিল তার সুসম্পর্ক। তার নিজস্ব কোন চেম্বার নাই। লোক মুখে অনেক শুনা যায় তিনি যেখানে দাঁড়ান সেই জায়গাই রোগীদের ভিড়ে চেম্বারে পরিনত হয়। প্রতিদিন আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত শিশু রোগী তিনি চেম্বারে আসার আগেই লাইন ধরে বসে থাকতো। তিনি রোগীদের কাছ থেকে কোন ফি বা টাকা নিতেন না। চাহিদা ছিল না ওনার। সেবার মন মানসিকতায় কাজ করতেন তিনি। অনেক সময় রোগীরা চলে যান ডা. সাহেবের বাড়ীতে। সেখানে সকালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।  

“সরকারী চাকরির বেতন অধিকাংশ টাকাই চলে যায় মানুষের সেবায়।

এত উন্নত চাকচিক্যময় পরিবেশে থেকেও তিনি কখনো ভুলে যান না তার ভিটেমাটির ছায়া। তার অসহায় অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের কথা। ১৯৯৮ সালে তার মায়ের নামে গড়ে উঠে চরআত্রা সখিনা মুন্সী আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা ও আরেকটি প্রতিষ্ঠান চরআত্রা দারুল উলূম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা। দুটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সহযোগীতায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি চরআত্রা আজিজিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি হিসেবে সুনামের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই মহৎ কাজ সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। তার এই মহৎ গুণের মাধ্যমে সকলের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

ডাক্তার সাহেব নিজে সবসময় মানব সেবায় নিয়োজিত থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন মানব সেবার মাধ্যমেই আলোকিত সমাজ গঠন করা সম্ভব বলে তার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস। তাই তিনি নিজের আয়ের একটি অংশ অসহায় মানুষের জন্য ব্যয় করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তার পূর্বপুরুষদের ঐতিহের ধারা বেয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন তাঁর লক্ষ্যপানে। বিভিন্ন সময়ে তিনি সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। চরআত্রা সহ তথা নড়িয়া-সখিপুর (শরীয়তপুর-২) সকলের প্রেমে সিক্ত ব্যক্তিত্ব ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)

শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জ মানুষ কাছে মানব সেবায় জনপ্রিয়তার শীর্ষ নাম ডাঃ তৌহিদ মুন্সী।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।