এমন একটা বৈশ্বিক মানবিক উদ্যোগে হামলা করার অর্থ হলো, গোটা বিশ্বের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সমুদ্রপথে গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। এই নৌবহরে রয়েছে ৪০টির বেশি বেসামরিক নৌযান। এই বহরে প্রায় ৪৪টি দেশের ৫০০ মানুষ রয়েছেন। এঁদের মধ্যে বাংলাদেশের শহীদুল আলমসহ যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের নাগরিকসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, অধিকারকর্মী, চিকিৎসক ও সাংবাদিক রয়েছেন।
এমন একটা বৈশ্বিক মানবিক উদ্যোগে হামলা করার অর্থ হলো, গোটা বিশ্বের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা। এখন ইউরোপের সরকারগুলোর পদক্ষেপ দেখার অপেক্ষায় আমরা। তাদের কাছে নিজেদের নাগরিকদের সন্মান ও নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি বর্বর ইজরাইল বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝা যাবে ইউরোপের সরকারগুলোর পদক্ষেপে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এসব কথা বলেন।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, ইজরাইল সর্বার্থে একটি বর্বর হিংস্র শক্তি যাদের ভেতর মানবতাবোধ বিন্দুমাত্র নাই। আইনভিত্তিক আধুনিক বিশ্বে তারা কোন ধরণের বৈশ্বিক আইন মান্য করে না। তাদের নৃশংসতার বিপক্ষে অবস্থান নিলে তারা যে কাউকে নির্মমভাবে প্রতিহত করে।
যার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত হলো, গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা হামলা করে ত্রাণ সামগ্রী জব্দ করা এবং বিশ্বের ৪৪ টি দেশের ৫০০ মানুষের যৌথ মানবিক উদ্যোগের বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র অবস্থান নেয়া।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের নাগরিক জনাব শহিদুল ইসলামের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারকে জোড়ালো পদক্ষেপ নিতে হবে। বৈশ্বিক মানবিক উদ্যোগে ইজরাইলী বর্বরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান জানান, আগামীকাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইজরায়েলি এই হিংস্রতার বিরুদ্ধে রাজপথে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবে।