যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, ইরানে সাম্প্রতিক ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ১৫ বছরের পরিকল্পনার চূড়ান্ত পরিণতি। তিনি বলেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ফরদো পারমাণবিক স্থাপনায় সুনির্দিষ্ট ও সফল হামলা চালানো। এজন্য বিশেষ ধরনের অস্ত্র ডিজাইন, পরিকল্পনা এবং সরবরাহ করা হয়েছিল।
জেনারেল কেইন বলেন, ফরদো স্থাপনায় দুটি ভেন্ট শ্যাফ্টকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ইরানিরা সেগুলো কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল যাতে হামলা প্রতিহত করা যায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ছয়টি বোমা নিক্ষেপ করে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। কেইন পরে সাংবাদিকদের একট বোমার আক্রমণের ভিডিওও প্রদর্শন করেন।
গত ২১ জুন রাতে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান তীব্র জবাব দেয়। ইরান থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় একাধিক হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে কাতার ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালায় তেহরান।
চলমান উত্তেজনা দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। যুদ্ধের বিস্তার রোধে ট্রাম্প প্রশাসন তড়িঘড়ি করে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ২৪ জুন থেকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত এবং যেকোনো সময় আবারও সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?