সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

জম্মু–কাশ্মীরে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা

ভোটের আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু–কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবিতে যারা মুখর ছিল, ভারতের সেই শাসক দল বিজেপির কপালের রেখা আবার গাঢ় হতে শুরু করেছে। ভোটের পর নতুন সরকার গঠনের সময় থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা। হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছে নতুন করে। তাতে প্রাণহানি ঘটছে। রক্ত ঝরছে। হঠাৎ কেন এই চোরাগোপ্তা আক্রমণ বৃদ্ধি, তা […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১০

ভোটের আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু–কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবিতে যারা মুখর ছিল, ভারতের সেই শাসক দল বিজেপির কপালের রেখা আবার গাঢ় হতে শুরু করেছে। ভোটের পর নতুন সরকার গঠনের সময় থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা। হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছে নতুন করে।

তাতে প্রাণহানি ঘটছে। রক্ত ঝরছে। হঠাৎ কেন এই চোরাগোপ্তা আক্রমণ বৃদ্ধি, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, অতি দ্রুত জম্মু–কাশ্মীর কি ফিরে যাচ্ছে সেই আগের অনিশ্চিত দিনগুলোয়?

দীর্ঘ ১০ বছর পর ভূস্বর্গে বিধানসভার ভোট হয়েছে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনায়। তিন দফার ভোট পর্ব শেষ হয় ১ অক্টোবর। ভোটের আগে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়ে উঠেছিল শান্তির নিকেতন। ৪ অক্টোবর গণনা শেষে জয়ী হয় ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি)। ১৬ অক্টোবর আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ওমর আবদুল্লাহ্। তার পর থেকে গত রোববার পর্যন্ত ১৯ দিনে ১০টি সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে।

মারা গেছেন ও জখম হয়েছেন একাধিক সেনাসদস্য, সাধারণ মানুষ, পরিচিত চিকিৎসক, পরিযায়ী শ্রমিক ও জঙ্গি। কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যে শ্রীনগরকে জঙ্গিমুক্ত বলে দাবি করেছিল, সেই শ্রীনগরের ব্যস্ততম এলাকা ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টারের সামনে গত রোববার গ্রেনেড হামলায় ১০ জন আহত হন। আচমকাই ফিরে এসেছে ভয়ের বাতাবরণ।

সেই সঙ্গে সন্দেহও। রাজনৈতিক স্তরে প্রশ্ন উঠে গেছে, নতুন নির্বাচিত সরকারকে নড়বড়ে করা, অস্থিতিশীল করে তোলা আচমকা এই সব সন্ত্রাসী হানার উদ্দেশ্য কি না। সে জন্য চক্রান্ত শুরু হয়েছে কি না।

সন্দেহ শুধু সন্দেহের স্তরেই থাকেনি, প্রকাশ্যে সেই সন্দেহ প্রকাশও করে ফেলেছেন ওমরের পিতা এনসির সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ। গত শনিবার শ্রীনগর ও অনন্তনাগ জেলায় দুটি পৃথক ঘটনায় লস্কর–এ–তইবার এক কমান্ডারের মৃত্যু ও চারজন নিরাপত্তারক্ষীর আহত হওয়ার ঘটনার পর ফারুক আবদুল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গিয়ানা বেড়ে গেল। কেন? কেন পরপর এত ঘটনা ঘটছে?

অবশ্যই এর তদন্ত হওয়া দরকার। তিনি বলেন, ‘আমার সন্দেহ হচ্ছে, যারা এই সরকারকে থিতু হতে দিতে চায় না, তারা এই সব কাণ্ড হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা ধরা পড়লে জানা যেত কারা এসব করাচ্ছে। কোনো এজেন্সি ওমর আবদুল্লাহ সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে কি না। এর তদন্ত করে দেখা দরকার।

ফারুক আবদুল্লাহ কারও নাম করেননি। কিন্তু বিজেপি সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের জম্মু–কাশ্মীর সভাপতি রবীন্দ্র রায়না বলেন, ‘তদন্তের কী আছে? সবাই জানে কারা এই সন্ত্রাসবাদের হোতা। পাকিস্তান এই অপকর্ম করে আসছে। তাদের বাধা দিচ্ছে আমাদের সেনা ও পুলিশ। প্রত্যেকের উচিত সেনা, পুলিশ ও অন্য নিরাপত্তারক্ষীদের সমর্থন করা।

বিজেপির আরেক নেতা কবীন্দ্র গুপ্ত সরাসরি ফারুকের সমালোচনা করে বলেন, তাঁর মতো মানুষের এমন সন্দেহ করা উচিত নয়। এমন কথাও বলা উচিত নয়। ওমরের সরকারকে কেউ অপদস্থ বা দুর্বল করতে চাইছে না। সীমান্তপার থেকেই এই সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে, সবার তা জানা।

ফারুক অবশ্য একা নন, তাঁর নির্বাচনী শরিক ও ইন্ডিয়া জোটের সদস্য কংগ্রেসও একই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ করেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তারিক হামিদ কাররাও ফারুকের সুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘যা ঘটছে তা খুবই উদ্বেগের বিষয়। ঘটনা ঘটার সময়টা সন্দেহ জাগাচ্ছে। নির্বাচন খুবই শান্তি কেটেছে। নির্বিঘ্নে সবাই প্রচার করেছে। কোথাও কিছু ঘটেনি। অথচ ভোটের পর সরকার গঠনের পর থেকেই শুরু হয়ে গেল তাণ্ডব ? আশ্চর্য এটাই!

জম্মু–কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এবারের ভোটের প্রধান বিষয় ছিল দ্রুত রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো। তাদের প্রত্যাশা ছিল ভোটের আগেই সেই প্রতিশ্রুতি কেন্দ্রীয় সরকার পালন করবে। কিন্তু তা হয়নি। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে এক সর্বসম্মত প্রস্তাব গৃহীত হয়।

দিল্লি এসে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে ওমর আবদুল্লাহ্‌ও ওই দাবি জানিয়ে গেছেন। যদিও কবে সেই দাবি মানা হবে, কবে কেন্দ্রীয় সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে এখনো কিছু জানায়নি। সরকারি ভাষ্য, উপযুক্ত সময়েই তা করা হবে। সেই সময় কবে আসবে অজানা।

তবে জম্মু–কাশ্মীরের ভারপ্রাপ্ত বিজেপির নেতা রাম মাধব ভোটের পর এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কিছুটা অর্থপূর্ণ ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংসদেই সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পালিত হবে। তবে দেখতে হবে জম্মু–কাশ্মীরে যেন সেই সব ভয়ংকর দিন আবার ফিরে না আসে।

ওই মন্তব্য এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আবার অশান্ত হয়ে ওঠার মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি? সেটাই কি রাজ্যের রাজনৈতিক নেতাদের মনে সন্দেহ সৃষ্টির কারণ? তাই চক্রান্ত তত্ত্বের অবতারণা? এত দিন মোটামুটি শান্ত থাকার পর হুট করে সন্ত্রাসী হানা বেড়ে যাওয়ার নেপথ্য কারণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দিক থেকে এখনো কোনা ব্যাখ্যা অবশ্য আসেনি।

জঙ্গি হানা নিয়ে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের এই আবহে সোমবার থেকে শুরু হলো বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। প্রথম কাজ স্পিকার নির্বাচন। তারপর উপরাজ্যপালের ভাষণ। দেখার, সেই ভাষণে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে তিনি কোনো আশ্বাস দিতে পারেন কি না। আরও দেখার, রাজ্য দ্বিখণ্ডিকরণ ও ৩৭০ অনুচ্ছেদসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক মর্যাদা খারিজের বিরুদ্ধে বিধানসভায় কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় কি না।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ২০১৯ সালেই ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন চেয়েছিল রাশিয়া

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়। ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়।

ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও ইউরোপ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ফিওনা হিল মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, রুশ কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনকে ঘিরে একটি ‘অদ্ভুত বিনিময় কাঠামো’ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে অবাধ প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেলে ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর প্রতি সমর্থন ছেড়ে দিতে রাজি ছিল রাশিয়া।

ফিওনা হিল আরও জানান, রুশ কূটনৈতিক ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন বার্তায় ‘মনরো ডকট্রিন’–এর প্রসঙ্গ টেনে এই ধারণা ছড়ানো হয়েছিল। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত একাধিকবার এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে হিল স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তখন এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি এবং ইউক্রেন ও ভেনেজুয়েলার বিষয়কে আলাদা হিসেবেই দেখেছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫