বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াতে ইসলামী একটি সাম্যের দেশ গড়তে চায়

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের লোকজনের উদ্দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সাম্যের দেশ গড়তে চায়; যেখানে সকল ধর্মাবলম্বীর লোকজন আতঙ্কে থাকবে না। তারা এদেশে বসবাস করবে মর্যাদার সাথে। কেউ তাদের জানমাল এবং ইজ্জতে হাত দিবে না। সেইসাথে তিনি সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার বাণী ঘরে ঘরে পৌঁছাতে জামায়াতের নেতাকর্মীদের […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১৮:৪৫

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের লোকজনের উদ্দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সাম্যের দেশ গড়তে চায়; যেখানে সকল ধর্মাবলম্বীর লোকজন আতঙ্কে থাকবে না। তারা এদেশে বসবাস করবে মর্যাদার সাথে। কেউ তাদের জানমাল এবং ইজ্জতে হাত দিবে না। সেইসাথে তিনি সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার বাণী ঘরে ঘরে পৌঁছাতে জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে বিশাল কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান। জেলা সেক্রেটারি ড. এনামুল হকের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো: দেলোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, আমাদের সন্তানদের আশ্বস্ত করতে চাই, তোমরা যে বাংলাদেশের স্লোগান দিয়ে বলেছিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, আমরা তোমাদের সাথে আছি। তোমাদের অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। তোমরা আমাদের অহংকার আমাদের গর্ব। আগামির বাংলাদেশ আমরা তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই।

আমরা তোমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করতে চাই, দোয়া করতে চাই। মরার আগে দেখে যেতে চাই আমার প্রিয় বাংলাদেশ সাম্য এবং সৌহার্দ্যরে বাংলাদেশ। আমার প্রিয় বাংলাদেশ একটি মানবিক বাংলাদেশ। এই মানবিক বাংলাদেশের জন্যই আমাদের সংগ্রাম এবং সাধনা। সমবেতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই সংগ্রামে আপনাদের পাশে চাই, সাথে চাই।

জামায়াতের আমীর বলেন, ছাত্র-জনতার লড়াই আর মজলুমানের চোখের পানির ফোটার কারণে আমরা এই নতুন দেশ পেয়েছি। বন্ধুদের আহ্বান জানাই এমন কথা এমন আচরণ না করি-যাতে আমাদের সন্তানরা মনে কষ্ট পায়।

কর্মী সম্মেলনে একজন হিন্দু ধর্মালম্বী অধ্যক্ষের বক্তব্যের সূত্র ধরে আমীরে জামায়াত বলেন, এখানে একজন হিন্দু ধর্মের সম্মানিত নেতা ভাই একটা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন; তিনি বলেছেন এমন একটা বাংলাদেশে আমরা বসবাস করতে চাই, যে বাংলাদেশে আমাদের আর আতঙ্কে থাকতে হবে না।

আমি তাদের বলি কারা আতঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ দিতে পারবে, সেই দলটাকে খুঁজে বের করুন। যারা বিগত ৫৪ বছরে আপনাদের জমাজমি দখল করেনি, আপনাদের সম্পদ লুন্ঠন করেনি, আপনাদের ইজ্জতের ওপর হাত দেয়নি। সেই দলকে আপনারা খুঁজে বের করুন। একটু বিবেকের চক্ষু দিয়ে খুঁজে দেখলেই, তাদের পেয়ে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, আমি খুব বেশি দূরে যাবো না। এখন থেকে মাত্র ছয় মাস পেছনে যাবো। ৫ আগস্ট এই দেশে যুগান্তকারী পরিবর্তন হয়েছে। কেউ বলছে গণবিপ্লব, কেউ বলছে গণঅভ্যুত্থান। যে যেভাবেই বলুক আমরা প্রথমদিন থেকেই সচেতন ছিলাম। একটা কুচক্রী মহল যাদের বরাবরই খাসলত খারাপ; তারাই আবার সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য আমাদের সহকর্মী এবং দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছিলাম, সতর্ক করেছিলাম। ধৈর্য ধরুন, শান্ত থাকুন।

শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করুন। এর আগে ওবায়দুল কাদের সাহেব কয়েকবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিদায় নিলে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতে ক্ষমতা থেকে বিদায় কিংবা পালানোর দুই দিনের ভেতর তাদের ৫ লাখ নেতাকর্মীকে খুন করা হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন তাদের ৫ লাখ নেতাকর্মী কী খুন হয়েছে? মাঠ থেকে জবাব আসে ‘না’। তিনি বলেন, হয়নি এই কারণে যে, আওয়ামী লীগের হাত রক্তে লাল থাকতে পারে, তাদের চোখ খুনের নেশায় সব সময় মাতাল হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশের সকল জনগণ তাদের মতো নয়।

এদেশের জনগণ তাদের দেশকে ভালবাসে, দেশের মাটিকে ভালবাসে। এজন্য তারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। এরপরও দুয়েকটা খুনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা এর নিন্দা করেছি। আমরা চাই না, বিনা বিচারে যেই ধর্মের মানুষই হউক না কেন, তাদের একজন মানুষকেও খুন করা হউক। কেউ দোষী হলে বিচারের মাধ্যমে হবে। তবে বিচারের নামে অবিচারের মাধ্যমে নয়। সুবিচারের মাধ্যমে কেউ যদি অপরাধ করে তাকে শাস্তি দিতে হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৬