মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুই মাস ধরে বন্ধ আছে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা

নূর আলম(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র সরকারি অ্যাম্বুলেন্সটি রোগীদের কোনো কাজেই আসছে না। চালকের অভাবে তা অব্যহৃতভাবে পড়ে রয়েছে। উপজেলার আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল ৫০ শয্যাবিশিষ্ট দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। পাশের কলমাকান্দা ও ধোবাউড়া উপজেলার লোকজনও চিকিৎসা নেন এখানে। কিন্তু এত এত মানুষের জন্য অ্যাম্বুলেন্স মাত্র একটি। এখন সেটিও চালানোর লোক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৫, ২১:৫৬

নূর আলম(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র সরকারি অ্যাম্বুলেন্সটি রোগীদের কোনো কাজেই আসছে না। চালকের অভাবে তা অব্যহৃতভাবে পড়ে রয়েছে।

উপজেলার আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল ৫০ শয্যাবিশিষ্ট দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। পাশের কলমাকান্দা ও ধোবাউড়া উপজেলার লোকজনও চিকিৎসা নেন এখানে। কিন্তু এত এত মানুষের জন্য অ্যাম্বুলেন্স মাত্র একটি। এখন সেটিও চালানোর লোক নেই। এ অবস্থায় সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে মানুষকে ভরসা করতে হয় বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স, মাইক্রোবাস অন্য যানবাহনের ওপর। এতে বাড়তি ভাড়া ও চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে রোগীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সচালককে দুই বছর আগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। তখন দীর্ঘ দিন অ্যাম্বুলেন্সটি চালানো বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জিপ গাড়ির চালক দিয়েই আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে চালানো হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। গত বছরের নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে জিপ গাড়ির চালক কেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগেও গত বছরের ৯ জানুয়ারি ভাড়া নিয়ে দর-কষাকষির সময় এক নবজাতকের মৃত্যু ঘটনায় ওই জিপ গাড়ির চালককে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালানো থেকে সরিয়ে নিয়ে গঠন করা হয়েছিল তদন্ত কমিটি। তবে তদন্ত আর আলোর মুখ দেখেনি, তখন চালক না থাকায় পূনরায় তাকে চালক হিসেবে বহাল রাখা হয়। এবার আবারও সেই জিপ গাড়ির চালককে অ্যাম্বুলেন্স চালানোর দায়িত্ব থেকে সড়ানো হয়েছে দুই মাস আগে। যার কারণে গত দুই মাস ধরে রোগী বহন বন্ধ হয়ে গ্যারেজ বন্দী হয়ে যায় অ্যাম্বুলেন্সটি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে চিকিৎসাসেবার জন্য হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। রোগীদের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ১৯৯৬ সালে ২টি, ২০০০ সালে ১টি ও ২০০৬ সালে ১ টি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয় তবে শুরুতে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স পাঁচ বছরের মাথায় আগুনে পুড়ে যায়। এরপর বাকি ২টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে যান্ত্রিক ক্রটির কারণে ২০১২ সাল নাগাদ অচল হয়ে পরিষেবা বন্ধ হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে দেওয়া ১টি অ্যাম্বুলেন্স সচল থাকলেও এখন চালকের অভাবে দুই মাস ধরে বন্ধ হয়ে গ্যারেজ বন্দি হয়ে পড়ে আছে।

এদিকে তথ্য বলছে,সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে দুর্গাপুর থেকে ময়মনসিংহ যেতে রোগীদের খরচ হয় ১২৩০ টাকা তবে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স গেলে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪  হাজার টাকা গুনতে হয়। কেউ কেউ অর্থ অভাবে রোগীকে জরুরি ময়মনসিংহ নিয়ে যেতে বিলম্বনায় পড়তে হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগীর স্বজনরা জানান, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালু না থাকার কারণে বিকল্প ব্যবস্থায় বেশি টাকা ভাড়া দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের বাইরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। তাই দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সের চালক দেওয়ার দাবি জানান তারা। 

এ প্রসঙ্গে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হান  বলেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের যে মূল চালক ছিল তাকে দুই বছর আগে বহিষ্কার করা হয়েছিল এরপর আর নতুন কোনো চালক নেওয়া হয়নি। সরকারি জিপ গাড়ির চালক দিয়েই চালানো হয়েছে এবার ওই চালক কেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে যার কারণে দুই মাস যাবত বন্ধ হয়ে গেছে রোগী পরিবহন।

তিনি আরও বলেন, চালক নিয়োগের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত ভাবে আবেদন করেছি। এখনও পর্যন্ত কোন চালক পদায়ন হয়নি।

এ ব্যাপারে নেত্রকোণা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ অনুপম ভট্টাচার্য্য  বলেন, আমরা একটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আছি তারপরও জরুরী বিষয় যেহেতু এটি সেজন্য বিভাগীয় স্যারের সাথে কথা বলে উনার নির্দেশনায় এটা চালু করার বিষয়ে দেখি কি করা যায়।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।