মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

একজন তৌহিদ মুন্সী চরাঞ্চল মানুষের আশার আলো

ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জে একজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে সমাজসেবক, দানশীল এবং মানবিক ডাক্তার খুবই পরিচিত। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে একজন ব্যক্তিত্বের মাঝে আলোকিত মানুষ।  গরীব দুঃখী মানুষের ডাক্তার খ্যাত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দানকারী, কিংবদন্তি মানুষ, সমাজসেবক হিসেবে খুবই পরিচিত ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা-সাহিত্য- […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:৪৯

ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জে একজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে সমাজসেবক, দানশীল এবং মানবিক ডাক্তার খুবই পরিচিত। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে একজন ব্যক্তিত্বের মাঝে আলোকিত মানুষ। 

গরীব দুঃখী মানুষের ডাক্তার খ্যাত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দানকারী, কিংবদন্তি মানুষ, সমাজসেবক হিসেবে খুবই পরিচিত ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা-সাহিত্য- ইসলামি সংস্কৃতি এবং সার্বজনীন জীবনব্যবস্থার প্রচার-প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি চরআত্রার প্রথম এমবিবিএস ও ভালো ডাক্তার দয়ালু ও বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর সামগ্রিক জীবন পর্যালোচনা করলে বলা যায় দায়বদ্ধ সমাজ পরিবর্তনের এক স্বাপ্নিক কারিগর বলা যায়। তিনি একজন ধর্মপরায়ণ মুসলিম। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ, সৎ, আন্তরিক, অমায়িক এবং বিনয়ী ব্যক্তি হিসেবে সকলের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর মধ্যে নেই কোনো অহমিকা বা অহংকার বোধ।

বরং তিনি সকল স্তরের মানুষকে খুব সহজেই বুকে টেনে নেন। এজন্য সকলের কাছে তাঁর রয়েছে আলাদা ও স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা। ইসলামী দ্বীনের প্রচার-প্রসারে তিনি অত্যন্ত নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্ব। বিশেষ করে ইসলামের প্রচার-প্রসারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 একটি ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ পরিবারের উত্তরাধিকারী। তিনি ১৯৭৫ সালে ২৯ নভেম্বর শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন চরআত্রা ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুন্সী মেজবাহ্ উদ্দীন আহম্মেদ সাহেব। একজন পরোপকারী ও সমাজ সেবক হিসেবে তার বাবা সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন।

তৌহিদ মুন্সী স্বাস্থ্য সেবায় তাঁর কর্মজীবনে এটাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ দিন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মরত আছেন। তিনি অত্যন্ত যোগ্যতা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। যা তাঁকে এনে দেয় মানবিক সম্মান এবং মর্যাদা। সকলের কাছে তিনি একজন কর্তব্যপরায়ণ আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জের গরিবের ও মানবিক ডাক্তার হিসেবে পরিচিত।রোগীদের সাথে অমায়িক ব্যবহার করতেন তিনি। রোগী থেকে শুরু করে রোগীর স্বজনদের সাথেও ছিল তার সুসম্পর্ক। তার নিজস্ব কোন চেম্বার নাই। লোক মুখে অনেক শুনা যায় তিনি যেখানে দাঁড়ান সেই জায়গাই রোগীদের ভিড়ে চেম্বারে পরিনত হয়। প্রতিদিন আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত শিশু রোগী তিনি চেম্বারে আসার আগেই লাইন ধরে বসে থাকতো। তিনি রোগীদের কাছ থেকে কোন ফি বা টাকা নিতেন না। চাহিদা ছিল না ওনার। সেবার মন মানসিকতায় কাজ করতেন তিনি। অনেক সময় রোগীরা চলে যান ডা. সাহেবের বাড়ীতে। সেখানে সকালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।  

“সরকারী চাকরির বেতন অধিকাংশ টাকাই চলে যায় মানুষের সেবায়।

এত উন্নত চাকচিক্যময় পরিবেশে থেকেও তিনি কখনো ভুলে যান না তার ভিটেমাটির ছায়া। তার অসহায় অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের কথা। ১৯৯৮ সালে তার মায়ের নামে গড়ে উঠে চরআত্রা সখিনা মুন্সী আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা ও আরেকটি প্রতিষ্ঠান চরআত্রা দারুল উলূম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা। দুটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সহযোগীতায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি চরআত্রা আজিজিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি হিসেবে সুনামের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই মহৎ কাজ সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। তার এই মহৎ গুণের মাধ্যমে সকলের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

ডাক্তার সাহেব নিজে সবসময় মানব সেবায় নিয়োজিত থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন মানব সেবার মাধ্যমেই আলোকিত সমাজ গঠন করা সম্ভব বলে তার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস। তাই তিনি নিজের আয়ের একটি অংশ অসহায় মানুষের জন্য ব্যয় করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তার পূর্বপুরুষদের ঐতিহের ধারা বেয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন তাঁর লক্ষ্যপানে। বিভিন্ন সময়ে তিনি সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। চরআত্রা সহ তথা নড়িয়া-সখিপুর (শরীয়তপুর-২) সকলের প্রেমে সিক্ত ব্যক্তিত্ব ডাঃ তৌহিদুজ্জামান (তৌহিদ মুন্সী)

শরীয়তপুর ও মুন্সীগঞ্জ মানুষ কাছে মানব সেবায় জনপ্রিয়তার শীর্ষ নাম ডাঃ তৌহিদ মুন্সী।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।