বিএনপি সরকার ইতোমধ্যে প্রচুর অন্ধ আচরণ করা শুরু করেছে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
রবিবার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাসিনাও রয়েশয়ে দুই চার বছর পরে শুরু করেছিলো। তারা শপথের দিন থেকে শুরু করেছে। এই নাটকগুলো শপথ নিয়েও করতে পারতো কিন্তু তারা শপথ না নিয়ে প্রথম দিন থেকে গণঅভ্যুত্থানকে অস্বীকার করবার মধ্য দিয়ে তারা বলার চেষ্টা করছে।
তারা আসলে দিল্লির আধিপত্যবাদকে মেনে নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে কোনো না কোনো ফর্মে পুনর্বাসন করবার জন্য ক্ষমতায় এসেছে।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা গণঅভ্যুত্থানের সরকারকে তার সঠিক মর্যাদা সম্মানের জায়গাতে রাখতে পারি নাই। তার যে লিগাল স্ট্যাটাস দেওয়া দরকার ছিলো, সেটা করতে পারি নাই।
একটা গণঅভ্যুত্থানকে ক্যান্টনমেন্ট হয়ে বঙ্গভবন হয়ে অটর্নি জেনারেলের পকেট থেকে সংবিধানের ১০৬ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এটাই হচ্ছে আমাদের আদি পাপ। ১০৬ এর পাপ আমাদের এখন পর্যন্ত ক্যারি অন করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদকে আজকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জুলাই সনদের অধ্যাদেশ অর্ডারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গণভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। কারণ হচ্ছে, আমরা গত সরকারের লিগাল স্ট্যাটাস্টিক করি নাই। বাংলাদেশে ৭২ পূজারী যারা আছে, তারা বারবার এই রেজিমটাকে হচ্ছে, একটা সাংবিধানিক সরকার বলার চেষ্টা করেছে।
অথচ আমরা বারবার দেখিয়েছি যে, একটা সাংবিধানিক সরকারের কোনো ক্যারেক্টার এটার মধ্যে ছিলো না। শপথ নেওয়া ছাড়া ইনফ্যাক্ট ওই বঙ্গভবনে গিয়ে কয়েকটা লাইন বললেই একটা সরকার সংবিধানের সরকার হয়ে যায় না।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকারও চোরাবালিতে পা দিয়েছেন। তারা আওয়ামী লীগ প্রশ্ন এবং দিল্লির কোশ্চেন ডিল করতে না পারার কারণে যেটা হয়েছে, তারা ৭৫ পরবর্তী পট পরিবর্তনে যেভাবে ডিজাস্টার করেছেন, ঠিক একইভাবে ২৪ পরবর্তী কোশ্চেনেও তারা একইভাবে সেই চোড়াবালিতে পা দিয়েছেন।