পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরবের সাংবাদিক আদওয়ান আল–আহমারি সতর্ক করে বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হওয়া সব হামলাই যে ইরান থেকে পরিচালিত—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কিছু হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরিকল্পিত ‘ফাঁদ’ থাকতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে আল–আহমারি উল্লেখ করেন, এই ধরনের হামলার উদ্দেশ্য হতে পারে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে ফেলা। তার মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প সময়ের মধ্যে যুদ্ধ শেষ ঘোষণা করে সরে যায়, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের মুখে পড়ে যেতে হতে পারে।
এদিকে কিছু ইরানি কর্মকর্তাও দাবি করেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হওয়া কয়েকটি ড্রোন হামলার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের মতে, এসব হামলার অন্তত কিছু ঘটনার পেছনে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ভূমিকা থাকতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি, আরামকোর রাস তানুরা তেল শোধনাগার এবং রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসসহ কয়েকটি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রকৃত দায়ী কারা—তা নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?