২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা ট্র্যাজেডি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মর্মান্তিক অধ্যায়। রাজধানীর পিলখানা সদরদপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস কর্মকর্তা নিহত হন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার পর ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালত রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
পরবর্তীতে হাইকোর্ট বেশ কয়েকটি দণ্ড বহাল ও পরিবর্তন করেন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা পৃথক মামলায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, সম্পূরক চার্জশিটে প্রথমবারের মতো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন ফজলে নূর তাপস ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। আইন অনুযায়ী, তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সম্পূরক চার্জশিটে অতিরিক্ত আসামি যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দীর্ঘসূত্রতা ও জামিন জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে প্রসিকিউশনের দাবি, নতুন অন্তর্ভুক্তি মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এখন সবার দৃষ্টি আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের দিকে।