মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের […]

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে।

প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের দারোগালি পৌর মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শেরপুরের তিনটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তিনি নেতা-কর্মীদের সজাগ ও পাহারায় থাকার আহ্বান জানান। ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা দিতে চাই না। আমরা তাদের জন্য হালাল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। যুবকরাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার ককপিটে, আর আমরা থাকব যাত্রী আসনে।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ এখন এক কঠিন বাঁকে দাঁড়িয়ে আছে এবং ১২ তারিখ সেই বাঁক পরিবর্তনের দিন। তিনি বলেন, “যারা আল্লাহর গোলামি করে, তারা কালো মেঘ দেখলে ভয় পায় না। আমরা এমন দেশ চাই, যেখানে রাজনীতির নামে মানুষ খুন হবে না। মানুষ হত্যার রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি।”

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, “আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি—তা বাংলাদেশের ৯ কোটি মা জানেন। আমার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মায়েদের নিয়ে অরুচিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ না বুঝেই একটি দল মিছিল শুরু করেছে। কে করেছে, সবাই জানে—ঠাকুরঘরে কে, আমি কলা খাই না।”

তিনি জানান, কয়েক ঘণ্টা পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় যদি কোনো মা কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার নামে বাজে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার খবর যেন ভুলভাবে উপস্থাপন করা না হয়।”

শেরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের ডাকা সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পরও কাউকে গ্রেপ্তার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, যারা নিজেদের দলের বহু মানুষকে বিদায় করেছে, তাদের কাছে মানুষের জীবন ও ইজ্জতের মূল্য নতুন কিছু নয়।

গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক নির্যাতনের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, একসময় দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় সেই নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই প্রত্যাহার হয়।

এর আগে সকালে হেলিকপ্টারে করে শ্রীবরদীর গোপালখিলা খেলার মাঠে অবতরণ করেন তিনি। পরে শেরপুরের জনসভা শেষে জামালপুর যান।

জামালপুরের সিংহজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গতিপথ পরিবর্তনের নির্বাচন। শহীদদের রক্ত ও আহতদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা দেবে।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পর এবার জনগণের সামনে প্রকৃত পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে। এই নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের নয়, বরং ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।

তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নির্বাচন গত ৫৪ বছরের বস্তাপচা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩