দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তিনি সরাসরি চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া-কে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ যাবেন। যাওয়ার পথে তিনি একটি সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনায় যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হতে পারে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই ছুটির দিনকে আগমনের সময় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কোনো অসুবিধা হয়, সে জন্য আগাম দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন শুধু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি হবে তার দেশে ফেরার পর প্রথম বড় রাজনৈতিক বক্তব্য।
এছাড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৬ ডিসেম্বর তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন এবং সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। পরদিন ২৭ ডিসেম্বর প্রয়াত শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের কর্মসূচিও রয়েছে তারেক রহমানের।
দলের নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে। একই সঙ্গে এটি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।