শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশ ও গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়ার আহ্বান তারেক রহমানের

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা যেন দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেন এবং কোনো বিরোধ যেন প্রতিপক্ষের সুযোগে পরিণত না হয়। তিনি বলেন, “দেশ ও গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে সকলকে দলের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।” রোববার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা […]

দেশ ও গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়ার আহ্বান তারেক রহমানের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:০৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা যেন দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেন এবং কোনো বিরোধ যেন প্রতিপক্ষের সুযোগে পরিণত না হয়। তিনি বলেন, “দেশ ও গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে সকলকে দলের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।”

রোববার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনও যথাসময়ে তফসিল ঘোষণা করবেন। বিএনপি গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।” তিনি জানান, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি স্বীকার করেন, বিএনপির প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, কিন্তু বাস্তবতার কারণে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যেসব দল ও ব্যক্তি রাজপথে ছিল, তাদের সমর্থন দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে অনেক যোগ্য প্রার্থী হয়তো মনোনয়ন পাবেন না। কিন্তু এটিই দলের বৃহত্তর কৌশল, যা দেশের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।”

তারেক রহমান মনোনয়ন বঞ্চিতদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নিন, কারণ এটি ব্যক্তিগত নয়—দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন।” তিনি সতর্ক করে বলেন, চারপাশে গুপ্ত স্বৈরাচার ওৎ পেতে আছে; প্রতিপক্ষ যেন কোনোভাবেই দলের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

এ সময় তিনি দেশের নারীদের নিরাপত্তা বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন, “আমাদের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী, অথচ তাদের নিরাপত্তা নিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের উদাসীনতা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। গত আগস্ট মাসেই দেশে ৯৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ১৪টি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, আর সাতজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। একই সময়ে ৯৮ জন নারী হত্যার শিকার হয়েছেন।”

তিনি বলেন, “একটি রাষ্ট্র যেখানে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়, সেই সমাজকে সভ্য বলা যায় না।” সকল সচেতন নাগরিককে নারীদের সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা এলাকাভিত্তিক প্রস্তাব তৈরি করুন, কন্যা-মা-বোনদের সঙ্গে কথা বলুন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলুন। সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।”

তারেক রহমান বলেন, “আমরা শুধু ক্ষমতা চাই না, আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে নারী ও শিশু নির্ভয়ে বাঁচবে, মানুষ মুক্তভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, এবং কেউ স্বৈরতন্ত্রের ভয়ে মুখ বন্ধ করে থাকবে না।”

অন্যদিকে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার পুনর্বহালের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপি নেতা নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিগত ১৫-১৬ বছর ধরে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারেননি। অথচ তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের আন্দোলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠাননি, তারা বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করেছেন। আমি তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, বিএনপি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যতের লড়াই হিসেবে দেখছে। তিনি বলেন, “এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার নয়—এটি গণতন্ত্র, ইনসাফ, এবং মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০