জুলাই ঘোষণাপত্রে প্রস্তাবিত অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি এই ঘোষণাপত্রকে স্বাগত জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষণাপত্র পাঠের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে চেয়েছিলাম, জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পরই রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়ন হবে। কিন্তু ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, এটি আগামী সংসদ বাস্তবায়ন করবে। এভাবে জনগণের যে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা, তা অনিশ্চয়তায় পড়ে গেল।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যে সব প্রস্তাব দিয়েছিলাম, সেগুলোর বেশিরভাগই ঘোষণাপত্রে আসেনি। তাছাড়া এই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়েও কিছু বলা হয়নি। এটা হতাশাজনক।”
ঘোষণাপত্রের ভাষা ও কাঠামো নিয়েও মত দেন নুর। তিনি বলেন, “সাধারণত কোনো ঘোষণাপত্রে অত বিস্তৃত ইতিহাস থাকে না। এখানে ১৯৭১ থেকে শুরু করে নানা ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, অথচ মূল অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট — নির্যাতন, গুম, খুন, ছাত্রদের আন্দোলন — এগুলোকে অনেকটাই ছাপিয়ে গেছে অন্যান্য বিষয়।”
উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট পাঠ হওয়া ঘোষণাপত্রে ২৮টি দফা স্থান পেয়েছে। এতে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনসহ রাষ্ট্র সংস্কারের নানা পরিকল্পনার কথা বলা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, নাগরিক ঐক্য ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারা।