সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিভক্ত হয়ে গেলে কেউ রক্ষা পাব না,চিঠির প্রসঙ্গে রাশেদ খান

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে ৬ জেলার নেতাকে দেওয়া চিঠির প্রসঙ্গ টেনে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, বিএনপি যে চিঠি দিয়েছে, সেই বিষয়ে একমাত্র তারাই বলতে পারবে। চিঠির বিষয়ে আমাদের সঙ্গে পূর্ব আলোচনা ছিল না। আগামীতে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হলে আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চিঠির প্রসঙ্গ টেনে তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ অক্টোবর ২০২৪, ০০:০৯

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে ৬ জেলার নেতাকে দেওয়া চিঠির প্রসঙ্গ টেনে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, বিএনপি যে চিঠি দিয়েছে, সেই বিষয়ে একমাত্র তারাই বলতে পারবে। চিঠির বিষয়ে আমাদের সঙ্গে পূর্ব আলোচনা ছিল না। আগামীতে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হলে আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
চিঠির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ওই চিঠি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমস্ত মন্তব্য করা হচ্ছে, তা দ্রুত বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। তার ভাষায় (রাশেদ) যুগপৎ আন্দোলন যারা করেছে তাদের একটি ঘোষণা রয়েছে। ওই ঘোষণায় ৩১টি দফা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলা হয়েছে। আমরা বিভক্ত হয়ে গেলে কেউ রক্ষা পাব না।
ঝিনাইদহ শহরে একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান।
তিনি আরও বলেছেন, বিপ্লব এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বিপ্লবের অনেক বাকি। আমাদেরকে বিপ্লব শেষ করতেই হবে। আমরা বলেছি যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেব এবং আমরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার পক্ষে।
রাশেদ খান বলেন, সুতরাং আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি এবং একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগার সমালোচনা বন্ধ করি। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে এলাকায় কে মেয়র হবে কে এমপি কে মন্ত্রী হবে। জনগণের সেই ক্ষমতা আমাদের দিতে হবে। গণঅধিকার পরিষদ জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করে। আমরা সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচনের কথা বলেছি। খুব শিগগিরই রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে রাশেদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কারণ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা যেভাবে দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, রাজনীতি ফ্যাসিজম তৈরি করে তা খুব সহজে অল্প সময়ের মধ্যে দূর করা সম্ভবপর হবে না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও প্রেতাত্মারা রয়ে গেছে। তাদের নানানভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। তারা এখনো ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে। যারা বাজার দখল করেছেন, যারা টার্মিনাল দখল করেছেন, যারা ঘুস দুর্নীতি রাহাজানি অত্যাচার করেছে, যারা সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা ও টাকার বিনিময়ে লালন পালন করেছে। তারা এখনো পর্যন্ত বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত মামলা হয়নি। অভিযোগ আসছে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি এবং কাজ করতে পারি তাহলে সকল সমস্যা দূর করা সম্ভব এবং এই সরকারের পক্ষে রাষ্ট্র সংস্কার করা সম্ভব হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে গণঅধিকার পরিষদ সম্পাদক বলেন, আমরা সরকারের প্রতি দাবি রেখেছি একটি রোড ম্যাপ জনগণের সামনে প্রকাশ করুন। আমরা এই সরকারকে রাষ্ট্র সংস্কারে পর্যাপ্ত সময় দিতে চাই। সরকারে উপদেষ্টাদের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগে রাষ্ট্র সংস্কার এরপরে নির্বাচন। রাষ্ট্র সংস্কার না হলে জাতীয় ঐক্য সংহতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। যে লাউ সেই কদু, জনগণের ভাগ্যর পরিবর্তন হবে না।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তরের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাজন, মিডিয়া সেলের আহবায়ক মিশন হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি মো. আল মামুনসহ অনেকে।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৮১

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬০

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬০

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬০