বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি, জানালেন ফখরুল

আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে দ্বিধা ও অস্পষ্টতার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তারা মোটেই সন্তুষ্ট নন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচন ডিসেম্বর […]

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি, জানালেন ফখরুল

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:৫১

আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে দ্বিধা ও অস্পষ্টতার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তারা মোটেই সন্তুষ্ট নন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে। আমরা একেবারেই সন্তুষ্ট নই। আমরা তাকে পরিষ্কার করে বলেছি—ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন,

“আমরা বারবার বলে আসছি—এ সরকারের দীর্ঘায়িত থাকার কোনো গণতান্ত্রিক ভিত্তি নেই। তাই ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে।”

উল্লেখ্য, এই বৈঠকটি হয় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায়। বৈঠকে সরকার পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আরও কয়েকজন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে অংশ নেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৈঠকে উপস্থিত আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে যেই উপদেষ্টাই যা বলুক না কেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে হলে সেটিই উত্তম। তবে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়সীমা কোনোভাবেই অতিক্রম করবে না। কালক্ষেপণের সুযোগ নেই।”

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপি নেতাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এরপর তার সরকারের একাধিক উপদেষ্টা থেকে নির্বাচনী সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য আসতে থাকে, যার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

এই পটভূমিতেই আবারও বিএনপি প্রতিনিধিদল বৈঠকে বসে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ এবং নির্বাচনী সময়সূচি দাবি করে। দলটির নেতারা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তারিখ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অস্থির করে তুলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন নিয়ে এমন দ্ব্যর্থতা শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই নয়, সাধারণ জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলেও আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সময়সীমা নির্ধারণ, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সংলাপ—এই তিনটি বিষয়ের গুরুত্ব বাড়ছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দেশে যদি রাজনৈতিক সংঘাত এড়াতে হয় এবং একটি শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করতে হয়, তবে এখনই নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের ভিত্তিতে একটি প্রকাশ্য ও নির্দিষ্ট সময়সূচি দিতে হবে।

এদিকে, সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা শিগগিরই একটি প্রাথমিক নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার বিষয়ে চিন্তা করছেন, যাতে ডিসেম্বরের আগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায় এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।

এখন দেখার বিষয়—এই সংলাপ ও দাবিদাওয়া আদৌ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে কিনা, নাকি আবারও রাজনৈতিক অচলাবস্থার নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৭