সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষে নয় জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার মতো একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনের বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এমন পরিস্থিতিতে দেশ সংঘাত ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় পড়বে। তাই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষের নয় জাতীয় পার্টি। শুক্রবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুরের পল্লী নিবাসে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত […]

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষে নয় জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ২২:২০

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার মতো একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনের বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এমন পরিস্থিতিতে দেশ সংঘাত ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় পড়বে। তাই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষের নয় জাতীয় পার্টি।

শুক্রবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুরের পল্লী নিবাসে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের অভিযোগ করেন, সরকারের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে নির্বাচনের সময় বিলম্ব ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত হলে তারা শক্তিশালী হয়ে থাকবে, কিন্তু ততদিনে দেশ থাকবে কিনা, দেশের মানুষ টিকে থাকবে কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই এবং রাজনীতি সম্পর্কে তাদের পরিপক্কতা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হলেও তাদের অপব্যবহার হয়েছে। এখনও দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার বিভাগকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটাই অবনতির দিকে যে, দেশের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে। জিএম কাদের বলেন, পুলিশ বিভাগ প্রায় ভেঙে পড়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে বেকার সমস্যা আরও প্রকট হবে এবং দরিদ্রতা চরমে পৌঁছাবে। পুলিশ বাহিনীকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে এবং পুরো বাহিনীকে দোষারোপ করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “সব সরকারের আমলে পুলিশ সরকারী নির্দেশেই কাজ করে। যদি তারা অন্যায় করে থাকে তবে তাদের শাস্তি দেওয়া যেত। কিন্তু সরকার প্রথম ধাক্কাতেই পুলিশকে ভেঙে ফেলেছে।”

জিএম কাদের আরও বলেন, “আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বলছে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য বড় সতর্ক সংকেত। যদি আমরা এই অভিযোগকে ভুল প্রমাণ করতে না পারি, তাহলে আমাদের বাণিজ্য, রেমিট্যান্স বন্ধ হয়ে যেতে পারে। দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেখা দিলে আমদানির অভাবে জনগণ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হবে।”

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ আন্দোলন করেছে। কিছুদিন আগে ছাত্রনেতারা বলছিলেন, তারা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন করেছে। তারা এখন ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে এবং হিযবুত তাহরীরও প্রকাশ্যে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। দেশে মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “সরকার যদি দেশ পরিচালনা করতে না পারে তাহলে অন্য কাউকে ক্ষমতা দেওয়া উচিত। নতুবা দেশের জনগণ চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবে।”

জিএম কাদের বলেন, “আমি অনেক আগে বলেছিলাম যে, দেশ শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। তখন সাধারণ মানুষ এবং আওয়ামী লীগ আমাদের সমালোচনা করেছিল। কিন্তু এখন তারা সেই কথার সত্যতা উপলব্ধি করছে। আমি আরও বলেছিলাম যে, আওয়ামী লীগ টিকতে পারবে না, দল হিসেবে তারা একেবারে শেষ হয়ে যাবে। এখন আওয়ামী লীগ শুধু নামেই আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা চলছে। সরকার তাকে এবং তার দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশি কিন্তু সম্পদ সীমিত। ভুল পদক্ষেপের কারণে যেকোনো সময় দেশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। পুলিশ বাহিনীর পর এখন সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেনাপ্রধান যদি কোনো অন্যায় করে থাকেন তবে তার বিচার হবে, কিন্তু গায়ের জোরে তাকে অপসারণ করার চেষ্টা করা সঠিক নয়।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এসএম ইয়াসির আহমেদ, মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন, যুবসংহতি নেতা নাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতারা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮