মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণজাগরণ মঞ্চের লাকীকে গ্রেপ্তারসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লাকী আক্তারসহ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, ধর্ষণের বিচারে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি এবং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক […]

গণজাগরণ মঞ্চের লাকীকে গ্রেপ্তারসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ১৭:৩৯

গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লাকী আক্তারসহ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, ধর্ষণের বিচারে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি এবং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

হাদী তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৪ বছরে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, গোপন নির্যাতন কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, আল্লামা সাঈদীকে চিকিৎসার নামে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ধরনের দমন-পীড়নের পেছনে যে চক্র সক্রিয়, তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে শাহবাগ। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় নেতা ও আলেমদের এমনভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে যে, তারা যখন কোনো দাবি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়ান, তখনই তাদের ‘উগ্রবাদী’ বলে প্রচার চালানো হয়। অথচ আমরা যখন সচিবালয় কিংবা অন্যান্য জায়গায় প্রতিবাদ জানাই, কেউ বলতে পারবে না যে আমরা পুলিশের গায়ে হাত তুলেছি।

ইনকিলাব মঞ্চ তাদের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছে, যার মধ্যে রয়েছে— ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা এবং মিথ্যা মামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া; দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা; লাকী আক্তারসহ ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনের কুশীলবদের গ্রেপ্তার করে তাদের ষড়যন্ত্র উন্মোচিত করা; জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শাপলা চত্বর ও অন্যান্য গণহত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত করা; এবং জুলাই গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার শুরু করে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা।

মানববন্ধনে হাদী বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো উসকানি ছাড়া শাহবাগের এক কর্মী লাঠি নিক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ কমিশনার মামুনকে উপর্যুপরি আঘাত করেছে। এরপর সাত-আটজন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালিয়েছে। কেউ বলতে পারবে যে, গতকাল পুলিশের হাতে লাঠি ছিল? তিনি আরও বলেন, শাহবাগের কর্মীরা ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে গেছে, কিন্তু সেখানে গিয়ে স্লোগান দিয়েছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ তাদের শেষ অস্ত্র হিসেবে শাহবাগের কর্মীদের ব্যবহার করছে এবং নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে।

তিনি বলেন, যদি আমরা শাহবাগের মতো হিংস্র মনোভাব নিয়ে চলতাম, তাহলে শাহবাগের কর্মীদের আমরা শাহবাগে লটকিয়ে রাখতাম।

কিন্তু আমরা গণতান্ত্রিকভাবে বিচার চাই, প্রতিশোধ নয়। হাদী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাকী আক্তারসহ শাহবাগ আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্তত এক হাজার অভিযোগ রয়েছে। অথচ এই লাকী এখনও রাস্তায় মিছিল করছে, যা জনগণের সঙ্গে উপহাস। তিনি বলেন, আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে এবং কঠোর বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মানববন্ধনে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেদ বলেন, শাহবাগের পুরনো চক্র আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা জনগণের জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, যারা একসময় আলেমদের নির্যাতনে নেতৃত্ব দিয়েছিল, আজ তারা আবারও রাস্তায় নেমেছে। তারা যদি মনে করে যে, ২০১৩ সালের মতো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে, তাহলে তারা ভুল ভাবছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ফাতিমা আক্তার ঝুমা বলেন, ধর্ষণের প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নেমেছে, সরকারও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু যারা একসময় বিচার চেয়ে ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন করেছিল এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছিল, তারা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে যে শাহবাগ আন্দোলন ন্যায়ের দাবিতে গড়ে ওঠার কথা ছিল, তা আজ ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের বলেন, লাকী আক্তারদের কার্যক্রম প্রমাণ করে যে, তাদের রাজনৈতিক পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ আসলে দেশের বাইরে, বিশেষ করে ভারতের হাতে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড আমরা সফল হতে দেব না এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের প্রতিহত করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের, এই লাকী আক্তারদের ঘুড়ি বাংলার আকাশে কিন্তু নাটাই ভারতের হাতে। তাদের এই উদ্দেশ্য আমরা বেঁচে থাকতে সফল হতে দিব না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৮৮

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৮৮

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৮৮

রাজনীতি

বিপাকে পড়েছেন তাসনিম জারা ! ইসির সব পথ বন্ধ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছে

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ? বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ?

বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, তবে আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এই ১% স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা থাকে না।

এর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন, সম্পদের বিবরণী এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ছবি ও হলফনামা জমা দিতে হয়, যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূরণ করতে হয়।

এই শর্ত অনুযায়ী তাসনিম জারা গতকাল থেকে নির্বাচনী এলাকার খিলগাঁও থেকে স্বাক্ষর নেওয়া শুরু করেছেন।

কিন্তু আজ জানা গেলে তিনি বিপদে পড়েছেন। যেহেতু ভোটারদের সিরিয়াল নম্বর প্রয়োজন, কিন্তু সেই সিরিয়াল নম্বর পাওয়ার ৫টি উপায় আছে। সব কয়টি পথ বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন-এমনটাই জানালেন ঢাকা ৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।

তাসনিম জারা বলেন, ভোটার নম্বর লাগবে।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো উপায় রাখেনি যে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। ৫ উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। এক হলো এসএমএস করে, অনলাইনে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। কল করে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে।

কিউ আর কোড ব্যবহার করে পাওয়া যাবে। তো পাঁচটি উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যায়, কিন্তু একটা উপায়ও কার্যকর নয়।

তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হব, এ ক্ষেত্রে ভোটার নম্বর লাগবে। কিন্তু ভোটার নম্বর পাওয়া যাচ্ছে।

একদম অসম্ভব করে রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটা পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’

এদিকে এই অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ভোটার সিরিয়াল নম্বর পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। কেননা আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৪৮৮