মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণজাগরণ মঞ্চের লাকীকে গ্রেপ্তারসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লাকী আক্তারসহ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, ধর্ষণের বিচারে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি এবং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক […]

গণজাগরণ মঞ্চের লাকীকে গ্রেপ্তারসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ১৭:৩৯

গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লাকী আক্তারসহ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার, ধর্ষণের বিচারে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি এবং একাধিক রাজনৈতিক ও নীতিগত দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

হাদী তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৪ বছরে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, গোপন নির্যাতন কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, আল্লামা সাঈদীকে চিকিৎসার নামে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ধরনের দমন-পীড়নের পেছনে যে চক্র সক্রিয়, তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে শাহবাগ। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় নেতা ও আলেমদের এমনভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে যে, তারা যখন কোনো দাবি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়ান, তখনই তাদের ‘উগ্রবাদী’ বলে প্রচার চালানো হয়। অথচ আমরা যখন সচিবালয় কিংবা অন্যান্য জায়গায় প্রতিবাদ জানাই, কেউ বলতে পারবে না যে আমরা পুলিশের গায়ে হাত তুলেছি।

ইনকিলাব মঞ্চ তাদের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছে, যার মধ্যে রয়েছে— ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা এবং মিথ্যা মামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া; দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা; লাকী আক্তারসহ ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনের কুশীলবদের গ্রেপ্তার করে তাদের ষড়যন্ত্র উন্মোচিত করা; জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শাপলা চত্বর ও অন্যান্য গণহত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত করা; এবং জুলাই গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার শুরু করে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা।

মানববন্ধনে হাদী বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো উসকানি ছাড়া শাহবাগের এক কর্মী লাঠি নিক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ কমিশনার মামুনকে উপর্যুপরি আঘাত করেছে। এরপর সাত-আটজন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালিয়েছে। কেউ বলতে পারবে যে, গতকাল পুলিশের হাতে লাঠি ছিল? তিনি আরও বলেন, শাহবাগের কর্মীরা ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে গেছে, কিন্তু সেখানে গিয়ে স্লোগান দিয়েছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ তাদের শেষ অস্ত্র হিসেবে শাহবাগের কর্মীদের ব্যবহার করছে এবং নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে।

তিনি বলেন, যদি আমরা শাহবাগের মতো হিংস্র মনোভাব নিয়ে চলতাম, তাহলে শাহবাগের কর্মীদের আমরা শাহবাগে লটকিয়ে রাখতাম।

কিন্তু আমরা গণতান্ত্রিকভাবে বিচার চাই, প্রতিশোধ নয়। হাদী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাকী আক্তারসহ শাহবাগ আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্তত এক হাজার অভিযোগ রয়েছে। অথচ এই লাকী এখনও রাস্তায় মিছিল করছে, যা জনগণের সঙ্গে উপহাস। তিনি বলেন, আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে এবং কঠোর বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মানববন্ধনে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেদ বলেন, শাহবাগের পুরনো চক্র আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা জনগণের জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, যারা একসময় আলেমদের নির্যাতনে নেতৃত্ব দিয়েছিল, আজ তারা আবারও রাস্তায় নেমেছে। তারা যদি মনে করে যে, ২০১৩ সালের মতো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে, তাহলে তারা ভুল ভাবছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ফাতিমা আক্তার ঝুমা বলেন, ধর্ষণের প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নেমেছে, সরকারও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু যারা একসময় বিচার চেয়ে ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন করেছিল এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছিল, তারা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে যে শাহবাগ আন্দোলন ন্যায়ের দাবিতে গড়ে ওঠার কথা ছিল, তা আজ ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের বলেন, লাকী আক্তারদের কার্যক্রম প্রমাণ করে যে, তাদের রাজনৈতিক পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ আসলে দেশের বাইরে, বিশেষ করে ভারতের হাতে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড আমরা সফল হতে দেব না এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের প্রতিহত করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের, এই লাকী আক্তারদের ঘুড়ি বাংলার আকাশে কিন্তু নাটাই ভারতের হাতে। তাদের এই উদ্দেশ্য আমরা বেঁচে থাকতে সফল হতে দিব না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬