ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম অধ্যায় সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে, যা রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে সরকার সুশৃঙ্খলভাবে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থেকে স্বৈরাচারের প্রভাব সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি জানান, কমিশনের সুপারিশগুলো তাদের কাছে ব্যাখ্যা করা হবে, তবে তা কোনোভাবেই চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন দেশ চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তবে জনগণের সমর্থনের কারণেই সরকার এই সময়টিকে সফলভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও সমর্থন বেড়েছে এবং বর্তমান সরকার যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর কোনো সুযোগ নেই।
আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সেখানে যে নির্মমতা ও নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, তা প্রত্যক্ষ করার পর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি জনগণের সহযোগিতা এবং জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান।