মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ধানমন্ডি ৩২ ঢাকায় অবস্থিত দিল্লি’তে নয়, ভারতকে উদ্দেশ্য করে জুলকারনাইন সায়ের

সাংবাদিক ও গবেষক জুলকারনাইন সায়ের তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির সমালোচনা করে বলেছেন, এই তো গতবছরের জানুয়ারী মাসের কথা, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বেশ দৃঢ়তার সাথেই বলেছিলেন; ‘বাংলাদেশের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়’। শুধু গত নির্বাচনই না, ২০১৪, ২০১৮ এর বিতর্কিত, একতরফা, রিগড নির্বাচনকেও ভারত স্বীকৃতি দেয় এবং একই ধরনের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৮:১৫

সাংবাদিক ও গবেষক জুলকারনাইন সায়ের তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির সমালোচনা করে বলেছেন, এই তো গতবছরের জানুয়ারী মাসের কথা, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বেশ দৃঢ়তার সাথেই বলেছিলেন; ‘বাংলাদেশের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়’।

শুধু গত নির্বাচনই না, ২০১৪, ২০১৮ এর বিতর্কিত, একতরফা, রিগড নির্বাচনকেও ভারত স্বীকৃতি দেয় এবং একই ধরনের বিবৃতি দেয়। কখনোই দেশটি এসব পাতানো নির্বাচনের সমালোচনা করেনি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ‍ বিষয় বলেই পাশ কাটিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, তাহলে যখন ধানমন্ডি ৩২ এ শেখ মুজিবর রহমানের বাসভবন দেশের ক্ষুব্ধ জনগণ গুঁড়িয়ে দেয়, তখন কেন তাদের মনে হয় বিষয়টি নিন্দনীয়? এ বিষয় বিবৃতি প্রদানেও তাদের কোন সংকোচ হয়না। আচ্ছা, তখন কি তাদের একবারের জন‍্যও মনে হয়না যে ধানমন্ডি ৩২ ঢাকায় অবস্থিত, দিল্লি’তে নয়।ওই নির্বাচনের মতো, এ বিষয়টিও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ?

এবং এর মাধ্যমে ভারত সরকার আবারো স্টাবলিশ করলো বাংলাদেশের জনগণের অধিকার নয়, আওয়ামী কাল্টই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যু সামনে এসেছে, কিন্তু সম্প্রতি এক তীব্র বক্তব্য দিয়েছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ জুলকারনাইন সায়ের, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তিনি ধানমন্ডি ৩২ নিয়ে তার মন্তব্যে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—”ধানমন্ডি ৩২ ঢাকায় অবস্থিত, দিল্লি’তে নয়”।

তিনি বলেন, যখন ৩২ নম্বর বাড়ি, শেখ মুজিবর রহমানের বাসভবন, দেশের ক্ষুব্ধ জনগণ গুঁড়িয়ে দেয়, তখন কেন ভারত সরকার এ বিষয়ে কোনো নিন্দা প্রকাশ করে না? তার মতে, এই ঘটনাকে তারা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখেনি এবং এতে তাদের কোনো সংকোচও ছিল না।

তবে যখন বাংলাদেশে কোনো অন্য রাজনীতি বা কিছু ঘটলে, ভারত তা নিয়ে নাক গলাতে শুরু করে। সায়ের তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং বাইরের কোনো দেশের হস্তক্ষেপ উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, “তাদের কি একবারও মনে হয়নি যে, ধানমন্ডি ৩২ ঢাকায় অবস্থিত, দিল্লি’তে নয়?” তার এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সায়েরের মতে,

ভারতের সরকার আবারো প্রমাণ করেছে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে প্রাধান্য দেয় না, বরং আওয়ামী কাল্ট তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এই বক্তব্যে ভারতকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৪