মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নতুন রাজনৈতিক দল নেতৃত্বে আসছেন কারা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের সামনে রেখেই নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। নেতাদের নাম চূড়ান্ত হয়নি। তবে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পদে আলোচনায় আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, আরিফ সোহেল, সামান্তা শারমিনসহ বেশ কয়েকজন। শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আহ্বায়ক হিসাবে নাহিদ ইসলামের নাম বলছেন। নাম চূড়ান্ত হলে তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৩

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের সামনে রেখেই নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। নেতাদের নাম চূড়ান্ত হয়নি। তবে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পদে আলোচনায় আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, আরিফ সোহেল, সামান্তা শারমিনসহ বেশ কয়েকজন।

শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আহ্বায়ক হিসাবে নাহিদ ইসলামের নাম বলছেন। নাম চূড়ান্ত হলে তিনি পদত্যাগ করে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব করা হতে পারে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যে কোনো দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এ দল ঘোষণা হবে। এর আগে দলের নাম চূড়ান্ত করা হবে। জাতীয় নাগরিক কমিটির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বলেন, তরুণদের মধ্যে যারা সিনিয়র, আন্দোলনের সময় সামনে থেকে নেতৃত্বে দিয়েছেন, যারা রাজনীতি সম্পর্কে ভালো বোঝেন তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদপদবিতে রাখা হবে। তিনি বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই রাজনৈতিক দল হবে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অনেক বছর পর একটি বড় রাজনৈতিক দল গঠনের সুযোগ সামনে এসেছে। গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নেতৃত্বে আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। সেভাবেই আমরা কাজ করছি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা বলছেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সব কার্যক্রম প্রায় শেষ। দেশের চলমান রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে ভিন্ন কাঠামো ও ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আদর্শের ওপর ভিত্তি করে নতুন রাজনৈতিক দল সামনে আনতে চান তারা। বিশেষ করে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বর্জন ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন দলের নেতৃত্ব নির্বাচন ও দলের অভ্যন্তরে বহুমুখী গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে চান তারা। কেউ চাইলে দীর্ঘ সময় দলের শীর্ষ পদ দখলে রাখতে পারবেন না।

এ ছাড়াও দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সময় উপযোগী রাজনৈতিক দল গড়তে প্রস্তুত তরুণ ছাত্র নেতারা। ফলে শেষ মুহূর্তেও নেওয়া হচ্ছে দেশের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত। এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণ ছাত্রদের নেতৃত্বে নতুন দল গঠন করলেও জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত হবে না। জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষার জন্য স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসাবে সংগঠন দুটি কাজ করবে।

নেতারা বলেন, আগামী ২০ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যে কোনো দিন জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে প্রথম পর্যায়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। এই আহ্বায়ক কমিটিতে যুক্ত হবেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্রনেতা। আহ্বায়ক কমিটির সম্ভাব্য প্রধান হিসাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের নাম সর্বাধিক আলোচিত। নতুন রাজনৈতিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে আখতার হোসেনকে।

তিনি বর্তমান জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এই পদে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সদস্য সচিব আরিফ হোসেল, নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিনসহ বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় আছে। আখতার হোসেন না হলে এদের ভেতর থেকে যে কাউকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মূলত নতুন রাজনৈতিক দল গঠনে গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বে দেওয়া এসব ছাত্র নেতার ওপরই আস্থা রাখতে চান তরুণরা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা যুগান্তরকে বলেন, দল গঠনের কাজ চলমান। কবে এই দল ঘোষণা হবে এবং কারা দায়িত্বে থাকবেন- তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। সেজন্য ঘোষণা পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ অবস্থার মধ্যেই রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক বন্দোবস্ত সফল করার লক্ষ্যে গত সেপ্টম্বরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক কমিটি। এরপর নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই ঘোষণার পরপরই নতুন দল ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কিভাবে দল গঠন হবে? কারা এই দলের নেতৃত্বে থাকবেন, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আলোচনা শুরু হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮