মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সালমানের দুর্নীতি করে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৪, ২৩:১৮

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত— নিয়েছে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সালমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে অচিরেই চিঠি দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে (বিএফআইইউ) বলা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত নতুন সরকার পাচার করা টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাবেক সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নানা পর্যায়ের নেতাদের বিষয়ে তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে তাদের সম্পদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে। বিএফআইইউ থেকে এসব বিষয়ে অচিরেই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত ২০০৬ সালে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতিবিরোধী টাস্কফোর্সের তদন্তে সালমান এফ রহমানের নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে লন্ডনে একটি ব্যাংকে তার নামে ৩৫০ কোটি ডলারের একটি আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। দেশ থেকে পাচার করা অর্থ তিনি ওই ক্রেডিট কার্ডে রেখেছিলেন।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে সালমান এফ রহমান ও তার স্বার্থসংশ্লিস্ট কোম্পানির নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। ওইসব প্রতিবেদন এখন বের করে পাচার তথ্য সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি কোন দেশে অর্থ পাচার করেছেন, তা কী কাজে ব্যবহার হয়েছে সেসব তথ্যও অনুসন্ধান করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ দেশ থেকে বিভিন্নভাবে সম্পদ পাচার করেছেন। এর মধ্যে পণ্য আমদানির এলসি খুলে বৈদেশিক মুদ্রায় দেনা শোধ করেছেন ব্যাংকের মাধ্যমে কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। পণ্য আমদানি করা হয়েছে, কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। এর মাধ্যমেই দেশ থেকে বেশি টাকা পাচার হয়েছে। সরকারি একটি ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্র“পের প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার দেনা শোধ করা হয়। কিন্তু এর বিপরীতে কোনো পণ্য দেশে আসেনি বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। বেসরকারি একটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে পণ্য রপ্তানি হলেও রপ্তানি মূল্যের ডলার দেশে আসেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে এসব ঘটনা ধরা পড়ার পরও রাজনৈতিক চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, টানা ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। ওই সময়ে শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে তার ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। যে ব্যাংক থেকে যেভাবে খুশি ঋণ নিয়েছেন। ঋণের টাকা কখনো পরিশোধ করেননি। পরিশোধের সময় এলে আবার নতুন করে ঋণ নিয়েছেন। এভাবে শুধু সরকারি খাতের জনতা ব্যাংক থেকেই ঋণ নিয়েছেন ২৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে একটি অংশ আমদানির এলসির নামে বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। তার বিভিন্ন কোম্পানির নামে শিল্পের যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে মূল্য বেশি দেখিয়ে ও ঘোষিত পণ্যের চেয়ে কম পণ্য দেশে এনে সবচেয়ে বেশি টাকা পাচার করেছেন। আরও একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ওই টাকার একটি অংশ বিদেশে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, পাচার টাকার একটি বড় অংশ রয়েছে বেলারুশসহ কয়েকটি দেশে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তার পাচার করা অর্থের সন্ধান পেয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ভারত ও নেপালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওইসব দেশেও তিনি অর্থ পাচার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বিএফআইইউ বিশেষ করে এগমন্ট গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে তথ্য চাইবে। দেশগুলোর আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের সমন্বয়ে এগমন্ট গ্রুপ গঠিত। বাংলাদেশ ওই গ্রুপের সদস্য। এর সদস্য দেশগুলো পরস্পরের সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লে­খ করে চিঠি দেবে। এগমন্ট গ্রুপ ওই চিঠি তার সদস্য দেশগুলোতে পাঠাবে। ওইসব দেশ তথ্য আবার এগমন্ট গ্রুপকে জানাবে। পরে এগমন্ট গ্রুপ তা বাংলাদেশকে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় সালমান রহমানের পাচার করা সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ রহমানের নামে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা সম্পদের বিষয়ে এখন বিএফআইইউ নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করছে। প্রাথমিকভাবে ওইসব তথ্য পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি দেওয়া হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬৭

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬৭

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৬৭

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৮৯