শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

এস আলমের ৮ হাজার কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১০৫ কোম্পানির মোট ৫১৩ কোটি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২টি শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের ভিত্তিতে এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

নিউজ ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৫, ২২:২২

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১০৫ কোম্পানির মোট ৫১৩ কোটি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২টি শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের ভিত্তিতে এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংস্থার উপপরিচালক তাহসিন মুনাবিল হক আদালতে এসব সম্পদ অবরুদ্ধের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি এবং তার সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো বিভিন্ন যৌথমূলধন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত শেয়ারের মালিকানা হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান সম্পন্নের আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর হয়ে গেলে অর্থ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৭ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর প্রাসঙ্গিক ধারা অনুযায়ী এসব শেয়ার অবরুদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে আদালত মত দেন।

এর আগে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ এবং পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসানের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এছাড়া গত ৯ জুলাই আদালত সাইফুল আলম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেন, যেখানে প্রায় ১১৩ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৮ টাকা জমা রয়েছে।

অন্যান্য

বাংলাদেশকে ভারতের প্রভাবমুক্ত করার দাবি, ৮ বিভাগে অবরোধের ডাক দিল ইনকিলাব মঞ্চ

শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবিতে আগামী রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৩৬

শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবিতে আগামী রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে চলমান অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি জানান, রোববার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই অবরোধ কর্মসূচি চলবে। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, যারা আজ শাহবাগে উপস্থিত হয়েছেন, তারা যেন আগামীকালও ঠিক ১১টায় শাহবাগে হাজির হন এবং ইনসাফের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যান। কোনো ধরনের প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই অবরোধ শুধু শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে নয়, বরং বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চাপিয়ে দেওয়া ভারতীয় আধিপত্য ও প্রভাব থেকে মুক্তির দাবিতেও এই আন্দোলন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস হাদি হত্যার বিচারের বিষয়ে দ্রুত ও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেন, তাহলে ইনকিলাব মঞ্চ তাকে আর মান্য করবে না। ইনসাফের প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

বক্তব্যে কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে জাবের বলেন, একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা দাবি করছে ইনকিলাব মঞ্চ যমুনা ভবন ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা করছে এবং এটিকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো তথাকথিত সংবাদ বা গুজবে বিশ্বাস না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও জানান, গত কয়েক দিন ধরে সংগঠনের নেতাকর্মীরা হত্যার হুমকি পাচ্ছেন। তবে তারা মৃত্যুকে ভয় করেন না। ‘শাহাদাতের তামান্না’ নিয়েই তারা রাজপথে নেমেছেন বলে জানান জাবের। তিনি উপস্থিত ছাত্র-জনতাকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “আমরা যদি শহীদ হয়ে যাই, তাহলে কি আপনারা ইনসাফের এই লড়াই থামিয়ে দেবেন?” উপস্থিত জনতা একযোগে ‘না’ বলে স্লোগান দিলে তিনি আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।