বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বড় অঘটনের আগেই গোয়েন্দা তৎপরতায় শনাক্ত উগ্রপন্থিরা

মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টায় ছিল উগ্রপন্থি একটি গ্রুপ। পরিকল্পনা ছিল বড় ধরনের অঘটনেরও। তবে গোয়েন্দা তৎপরতায় আপাতত তা ভেস্তে গেছে। অবশ্য তাতেও থেমে নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উগ্রবাদীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য ধরে চলছে অভিযানও। পাশাপাশি দেশের সীমান্ত এলাকার কয়েকটি জেলায় ঝিমিয়ে পড়া নিষিদ্ধ চরমপন্থি […]

বড় অঘটনের আগেই গোয়েন্দা তৎপরতায় শনাক্ত উগ্রপন্থিরা

বড় অঘটনের আগেই গোয়েন্দা তৎপরতায় শনাক্ত উগ্রপন্থিরা

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫

মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টায় ছিল উগ্রপন্থি একটি গ্রুপ। পরিকল্পনা ছিল বড় ধরনের অঘটনেরও। তবে গোয়েন্দা তৎপরতায় আপাতত তা ভেস্তে গেছে। অবশ্য তাতেও থেমে নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উগ্রবাদীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য ধরে চলছে অভিযানও। পাশাপাশি দেশের সীমান্ত এলাকার কয়েকটি জেলায় ঝিমিয়ে পড়া নিষিদ্ধ চরমপন্থি সংগঠনের সদস্যরাও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে পাওয়া গেছে এই তথ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী একটি সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ ওরফে সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের পর নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ইসতিয়াককে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে তলে তলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার তথ্য। এই গ্রুপটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র ও শাহবাগ চত্বরে জনসমাগমে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো নাশকতা চালাতে পারে বলেও তথ্য উঠে আসে। এমনকি দেশীয় ধারালো অস্ত্র কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা করা এবং এ জন্য তারা বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগার লুটের মতো ভয়ংকর পরিকল্পনা করছিল বলেও জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে।

পুলিশ সদর দপ্তরের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াককে গ্রেপ্তার করে তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার পর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

অবশ্য গতকাল মঙ্গলবার কোস্টগার্ডের প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর অনুষ্ঠান শেষে দেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি উত্থানের তথ্য এবং নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রশ্নগুলো বুঝতে পেরেছি। কিন্তু আমি ওই শব্দকে (জঙ্গি উত্থান) রিকগনাইজ (স্বীকৃতি) করি না।

আমাদের দেশে এ রকম কোনো তৎপরতা নেই।

কিছু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ (উগ্রপন্থি গোষ্ঠী) থাকে, পৃথিবীর সব দেশেই এ রকম অ্যাকটিভ (সক্রিয়) থাকে, র‍্যাডিক্যাল কিছু ফোর্স থাকে, ফান্ডামেন্টাল কিছু পলিটিক্যাল পার্টি থাকে, এগুলোতে আমরা ইউজড টু, এগুলো থাকে।’

একটি বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো সদস্য কোনোভাবে দেশবিরোধী বা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, সেটা নিয়ে ইন্টারনাল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে। সেটা সব বাহিনীতে থাকে এবং সমন্বিত একটা ফোর্সও থাকে এবং সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স (কেন্দ্রীয় নজরদারি) থাকে। এগুলোর মধ্য দিয়ে কেউ যদি এ রকম কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তাদের ফাইন্ড আউট (খুঁজে বের) করা হয় এবং তাদের জন্য যে আইনে যে সমস্ত প্রসিডিউর আছে, প্রসিডিং আছে সেগুলো ফলো করা হয়, ইট ইজ নাথিং নিউ (এটা নতুন কিছু নয়)।’

অবশ্য একই দিন সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সরকারের কাছে কতখানি তথ্য আছে, এটা বলা যাবে না। এটা একটা সেনসিটিভ তথ্য। এ তথ্যটা গোপন থাকবে। কিন্তু যেটুকু তথ্য সরকার জানিয়েছে—এটা ফ্যাক্ট; বাংলাদেশে জঙ্গি আছে।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় জঙ্গি সমস্যাকে যে স্কেলে দেখানো হয়েছে, এটা ক্ষমতায় থাকার একটা ন্যারেটিভ হিসেবে তারা ব্যবহার করেছিল। এটা অতিরঞ্জিত হয়েছিল ওই সরকারের সময়। পরবর্তীতে যে সরকারের সময় ইন্টেরিমের সময় এই আলাপ কেউ কেউ করার চেষ্টা করেছে যে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই, এটাও আরেকটা এক্সট্রিম। এটাও ভুল কথা।

উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা পর্যায়ে মিলিটেন্সি-জঙ্গিবাদ ছিল, আছে। সেটাকে আমরা আসলে কমব্যাট করতে চাই।’

পুলিশ সদর দপ্তরের সাম্প্রতিক সতর্কতার বিষয়ে তিনি বলেন, এই সতর্কতার মানে হচ্ছে, এটা খানিকটা ঝুঁকি তৈরি করেছে, কারণ দেড় বছর ইন্টেরিম সরকারের সময় আমরা খেয়াল করেছি, এই প্রবণতার মানুষদের অনেক বেশি সংগঠিত হওয়া বা পাবলিকলি আসা বা ওপেনলি আসার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। সেটারই খানিকটা ইমপ্যাক্ট আমরা বলতে পারি; এ সরকার এগুলো কমব্যাট করবে।

উগ্রবাদ প্রতিরোধে যুক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, ইসতিয়াক আহম্মেদ ওরফে সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদ মূলত ‘দাওলাতুল ইসলাম’ নামের একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য। ইসতিয়াক আসল নাম হলেও সংগঠনে তার নাম আবু মোহাম্মদ। এই সংগঠনটির নাম সচরাচর শোনা না গেলেও ২০১৬ সালে ঢাকায় হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার সময় ওই নামটি সামনে এসেছিল। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি উগ্রবাদী সংগঠনের আদর্শে উদ্ধৃত হয়ে দেশে নানা সময়ে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই আবু মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের পর আরও বেশকিছু তথ্য সামনে আসে। তার মাধ্যমে জানা যায়, একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত অন্তত দুই সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তা ছাড়া অপর একটি বাহিনীর বিপথে যাওয়া আরও কয়েক সদস্যের তথ্য সামনে আসে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। এর পরই চট্টগ্রাম থেকে একটি মসজিদের ইমামকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশের একজন কনস্টেবলকেও আলাদা রেখে তার কার্যক্রম নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া সম্প্রতি ঢাকার অদূরে ধামরাই থেকে মো. রাকিব হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাহেদ নামে সিলেটের এক তরুণকেও খোঁজা হচ্ছে।

ওই সূত্রটি জানায়, উগ্রবাদী এই গ্রুপটি শুরুর দিকে সমকামীদের আড্ডায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল। রাজধানীর শাহবাগে ‘সমকামীরা আড্ডা দেয়’—এমন তথ্য নিয়ে তারা সেই আড্ডাস্থলে আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। তাতে সফল হলে দেশের বড় বড় স্থাপনা তাদের টার্গেটে ছিল। এজন্য অস্ত্রাগার লুটের মতো পরিকল্পনাও ছিল। তবে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত কার্যক্রমের ফলে সব ধরনের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।

উগ্রবাদ কার্যক্রম নজরদারি ও প্রতিরোধে যুক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি নজরে আসা উগ্রবাদী গ্রুপগুলোর মধ্যে দাওলাতুল ইসলাম ছাড়াও তেহেরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির ভাবাদর্শের লোকজন থাকতে পারে বলে সন্দেহ রয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দারা নিবিড়ভাবে তদন্ত করছে।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক খালিদুল হক হাওলাদার বলেন, ‘এরকম কোনো আশঙ্কা বা হুমকি এই মুহূর্তে আমরা দেখছি না। আমরা প্রত্যাশা করছি, অপরাধীরা এ ধরনের সাহস অন্তত করবে না। আমাদের সেই নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় ডিপ্লয়মেন্ট রয়েছে।’

র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা যে কোনো হুমকি, যে কোনো ঝুঁকি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। আমাদের যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সরকারি অফিস এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভবন-স্থাপনা আছে, সবগুলোতে নিরাপত্তা দিতে আমাদের টহল, গোয়েন্দা নজরদারি চলমান আছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিয়োজিত রয়েছে।’

ধামরাই থেকে উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার সেই রাকিব কারাগারে: এদিকে পুলিশ সদর দপ্তরের সর্তকবার্তার পর গত শনিবার ঢাকার অদূরে ধামরাই থেকে রাকিব হোসেন নামে ২০ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক উগ্রবাদী তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান গতকাল কালবেলাকে বলেন, রাকিব নামে ওই আসামিকে পুলিশ সদর দপ্তরের স্মারকমূলে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনাটি ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন।

ধামরাই থানা পুলিশ রাকিবকে কারাগারে পাঠিয়ে আদালতকে জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রাকিব নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থক। সে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা করতে পারে বলে সন্দেহ রয়েছে। গ্রেপ্তার রাকিব ফেসবুকের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। সংগঠনে তার নাম উবাইদা আল ওসামা। পলাতক মাহেদের সঙ্গেও তার অনলাইন যোগাযোগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে আপাতত এই উগ্রবাদীদের অপতৎপরতা ঠেকানো গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে নেই। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এই গ্রুপের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে সূত্রগুলো বলছে, নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের অপতৎপরতার চেষ্টার মধ্যে দেশের কয়েকটি সীমান্ত এলাকায় ঝিমিয়ে পড়া নিষিদ্ধ চরমপন্থি সংগঠনের সদস্যরাও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। মূলত সরকারকে বিব্রত করতে বিভিন্ন সময় আত্মসমর্পণ করে সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসা চরমপন্থি সদস্যদের সংঘটিত করছে বলে তথ্য রয়েছে। এদের পেছনে দেশকে অস্থিতিশীল করতে জড়িত তৃতীয় কোনো পক্ষ রয়েছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। পুরো বিষয়টি নজরদারির মধ্যে রয়েছে।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর […]

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

আওয়ামী লীগ আমলের নিয়োগ: তদন্তের মুখে পুলিশ বাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাঁদের নিয়োগ যাচাই-বাছাই করে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজারজন উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁরা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের অনেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী অথবা দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা কোটা লঙ্ঘন এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য গোপন করে রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে এসব উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তর এসব নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে। অসংগতি পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ সরকার) আমলে পুলিশের নিয়োগে বিভিন্ন পর্যায়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। অনেকে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করে ও অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। বিষয়গুলো তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে যেন কারও প্রতি অন্যায় বা জুলুম করা না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম করার সাহস কেউ না পায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দ্বিতীয় বৈঠকেই পুলিশের এসব নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এই তদন্ত করবে মূলত পুলিশ সদর দপ্তর এবং এ বিষয়ে যেকোনো সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঠিকানা পরিবর্তন, কোটা জালিয়াতি এবং ‘ছাত্রলীগ কোটা’ থেকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া এক হাজার ২১৭ জনসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে অন্তত দেড় হাজার উপপরিদর্শক ও আট হাজারের বেশি কনস্টেবলের নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে সারা দেশে পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ৪৫ হাজার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে উপপরিদর্শক অন্তত ১০ হাজার ও কনস্টেবল পর্যায়ে ৩৫ হাজার।

বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় লোকজনকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দিয়েছে। পুলিশকে দলীয়করণের মাধ্যমে রাজনৈতিক কাজে অর্থাৎ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড়, গুম, হত্যা, নির্যাতন ও দমন-পীড়নে ব্যবহার করেছে।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক কোটা থাকলেও তা লঙ্ঘন করে গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও মাদারীপুরের বিপুলসংখ্যক লোক নিয়োগ করা হয়। এসব অঞ্চলে কোটার ৩ গুণেরও বেশি লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে ১০ হাজার এবং কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু গোপালগঞ্জ জেলা থেকেই নিয়োগ পান ৮ হাজার জন। মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর বাইরে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা সাজিয়ে এক হাজার লোককে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ হয় ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে। ভুয়া জমির দলিল ও জাল নাগরিক সনদের ভিত্তিতে অন্য জেলার লোকদের ধামরাই উপজেলার বাসিন্দা দেখিয়ে কনস্টেবল পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে পুলিশের ভেতরের আওয়ামী লীগপন্থী একটি চক্র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কনস্টেবলদের মতো উপপরিদর্শক পদে আট ব্যাচের নিয়োগেও জেলা কোটা মানা হয়নি। গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরের প্রার্থীদের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্য জেলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত পরিবারের সদস্যদের।

উপপরিদর্শক নিয়োগ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি (৩৩তম থেকে ৪০তম) ব্যাচে অন্তত ১০ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। ২০১৮ সালে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা বাতিলের পরিপত্র জারির আগপর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা, জেলা, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল।

৩৬তম থেকে ৪০তম ব্যাচের নিয়োগ পর্যালোচনায় দেখা যায়, জেলা কোটা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ পায় ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা সংখ্যায় ২৩২ জন। ফরিদপুরের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশের সুযোগ থাকলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ১৮৭ জনকে। শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ কোটার সুযোগ থাকা মাদারীপুর থেকে নিয়োগ পান ১৩৩ জন। এভাবে কোটা লঙ্ঘন করে ৫৫২ জন উপপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। এই ব্যাচগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ৬৬৫ জন রয়েছেন। জনশ্রুতি রয়েছে, তাঁরা সরাসরি ছাত্রলীগ-সম্পৃক্ত কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই উপপরিদর্শকদের নিয়োগ দিয়ে মাঠে নামাতে নানা অনিয়ম করা হয়। দুই বছরের প্রশিক্ষণ কমিয়ে এক বছর করা হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নেওয়ার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়।

সার্বিক বিষয়ে সদ্য বিদায়ী পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বাহারুল আলম বলেন, সচিবালয়ে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিগত সময়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মন্ত্রীর বার্তা পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে নিয়োগ যাচাই-বাছাই করবে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশ সদর দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৫ মার্চ এক অফিস আদেশে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের (টিআরসি) শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টিও এতে জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) মো. আবু হাসানের সই করা ওই অফিস আদেশ দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের পাঠানো হয়েছে।