শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

সিরিয়ার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নবীজি যা বলে গেছেন

শাম অঞ্চল মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ ভূমি হিসেবে পরিচিত। এটি সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন এবং ফিলিস্তিন নিয়ে গঠিত প্রাচীন শাম রাজ্য বা মুলকে শামের অন্তর্গত। নবী-রসুলদের অনেকেই এই ভূমিতে আগমন করেছিলেন এবং তাদের প্রচারিত দ্বীন এখান থেকেই বিস্তার লাভ করেছিল। ইসলামী ঐতিহ্য ও ইতিহাসে শাম ভূখণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম, কেননা এই ভূমি ভবিষ্যতের অনেক […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১৯

শাম অঞ্চল মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ ভূমি হিসেবে পরিচিত। এটি সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন এবং ফিলিস্তিন নিয়ে গঠিত প্রাচীন শাম রাজ্য বা মুলকে শামের অন্তর্গত। নবী-রসুলদের অনেকেই এই ভূমিতে আগমন করেছিলেন এবং তাদের প্রচারিত দ্বীন এখান থেকেই বিস্তার লাভ করেছিল। ইসলামী ঐতিহ্য ও ইতিহাসে শাম ভূখণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম, কেননা এই ভূমি ভবিষ্যতের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও কেয়ামতপূর্ব সময়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

শামের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি

রসুলুল্লাহ সা. শামের প্রতি বিশেষ মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন এবং এই অঞ্চল নিয়ে নানা ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম কিছু ভবিষ্যদ্বাণী নিচে তুলে ধরা হলো-

১. শামের ভবিষ্যদ্বাণী

রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, হিজরতের পর আরেকটি হিজরত শিগগিরই ঘটবে। তখন ভূপৃষ্ঠের সর্বোৎকৃষ্ট মানুষ হবে তারা, যারা ইবরাহিম আ.-এর হিজরতভূমি (শাম) দেশে অবস্থান করবে। আর পৃথিবীতে সর্বনিকৃষ্ট মানুষ বাকি থাকবে, যাদের আল্লাহ অপছন্দ করবেন। তাদের ভূমিগুলো তাদের ত্যাগ করবে এবং তারা ফিতনার আগুনে পুড়বে। (আবু দাউদ ২৪৮২)

২. মুসলিম বাহিনীর অবস্থান

ইবনে হাওয়ালা রা. বর্ণনা করেছেন, ইসলামী বাহিনী শিগগিরই শাম, ইয়েমেন এবং ইরাকের দিকে ভাগ হবে। আমি রসুলুল্লাহ সা.-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কোন বাহিনীতে যোগ দেব? তিনি বললেন, তুমি শামের বাহিনীতে থাকবে, কেননা তা আল্লাহর পছন্দনীয় ভূমি। (আবু দাউদ ২৪৮৩)

৩. শামে আল্লাহর ওলিদের বিশেষ দল

হজরত আলী রা. ইরাকে অবস্থানরত অবস্থায় শামবাসীদের বিষয়ে বলেন, আপনি তাদের ওপর অভিশাপ করুন! তিনি তখন বলেন, না, আমি রসুলুল্লাহ সা. -কে বলতে শুনেছি যে, শাম ভূখণ্ডে আবদালরা (আল্লাহর ওলিদের বিশেষ দল) থাকেন, তারা ৪০ জন। যখনই তাদের থেকে একজন মারা যান, আল্লাহ তার স্থানে অন্য একজনকে রাখেন। তাদের বরকতে বৃষ্টি হয় ও শত্রুর ওপর জয়লাভ হয়। ভবিষ্যতে তাদের ওসিলায় শামবাসীদের থেকে আজাব উঠিয়ে নেওয়া হবে। (মুসনাদে আহমদ ৮৯৬)

৪. শামের কল্যাণ এবং উম্মতের কল্যাণ

রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, যখন শাম ভূখণ্ডে ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন উম্মতের মধ্যে কল্যাণ থাকবে না। তবে আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে, তাদের ক্ষতি করতে কেউ সক্ষম হবে না।(তিরমিজি ২১৯২)

৫. মহাযুদ্ধে শামের ভূমিকা
রসুলুল্লাহ সা. বলেন, মহাযুদ্ধে মুসলিমদের ছাউনি হবে ‘গোতা’ শহরে, যা দামেস্কের পাশে অবস্থিত।(আবু দাউদ ৪২৯৮)

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, অচিরেই তোমরা শাম বিজয় করতে পারবে, যখন তোমাদের সেখানে বসবাসের এখতিয়ার দেওয়া হবে, তোমরা দামেস্ক নগরীকে বাসস্থান বানাবে, কেননা তা যুদ্ধবর্তীকালীন মুসলিমদের আশ্রয়স্থল হবে, আর তাদের ছাউনি হবে সে দেশের একটি ভূমি, যাকে ‘গোতা’ বলা হয়। (মুসনাদে আহমদ ১৭৪৭০)

৬. ইমাম মাহদির খেলাফতগ্রহণ

রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, একজন খলিফার মৃত্যুর পর মতানৈক্য দেখা দেবে। তখন একজন (ইমাম মাহদি) মদিনা থেকে মক্কায় আসবেন এবং মানুষের চাপের মুখে বায়াত গ্রহণ করবেন। তার বিরুদ্ধে শাম থেকে একটি দল পাঠানো হবে, কিন্তু তারা বাইদা এলাকায় ভূমিধসে পতিত হবে। (সহিহ মুসলিম ২৮৮২)

৭. ঈসা আ.-এর অবতরণ এবং দাজ্জালকে হত্যা

দীর্ঘ এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, দাজ্জাল শামের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে বের হয়ে পৃথিবীজুড়ে ফাসাদ সৃষ্টি করবে। ঈসা আ. দামেস্কের পূর্ববর্তী মিনারায় অবতরণ করবেন এবং দাজ্জালকে শামের ‘বাবা লুদ’ স্থানে হত্যা করবেন। (সহিহ মুসলিম ২৯৩৭)

এগুলি শামের ভূমির গুরুত্ব এবং কেয়ামতপূর্ব ভবিষ্যৎ ঘটনাগুলির প্রতি রসুলুল্লাহ সা.-এর আগাম বাণী।

ইসলাম ও জীবন

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত। কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় […]

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত।

কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় রাত। আর হাদিসে একে উল্লেখ করা হয়েছে ‘লাইলাতুন নিস্ফ মিন শাবান’ হিসেবে।

শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য
হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
“শাবান মাসের অর্ধ রজনীতে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিজগতের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।”
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৫৬৬৫)

অষ্টম শতাব্দীর প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ আল্লামা নূরুদ্দীন হাইসামি (রহ.) এই হাদিসের সব বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

এ বিষয়ে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে জানা যায়, শবে বরাতের রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দীর্ঘ সময় সিজদায় মগ্ন ছিলেন। পরে তিনি বলেন,
“এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ করুণার দৃষ্টি দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করেন।”
(শুআবুল ইমান)

শবে বরাতে ইবাদত ও রোজার গুরুত্ব
হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,
“১৪ শাবানের রাত তোমরা ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করো এবং পরদিন রোজা রাখো।”
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৩৮৮)

হাদিস বিশারদদের মতে, ফজিলতের ক্ষেত্রে এই হাদিস গ্রহণযোগ্য।

ভাগ্য নির্ধারণের রাত
পবিত্র কোরআনে সুরা দুখানে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন—
“এই বরকতময় রাতে হেকমতপূর্ণ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।”
(সুরা দুখান: ২–৩)

তাফসিরকারদের একাংশের মতে, এখানে শবে বরাতের কথাই বোঝানো হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,
“অর্ধ শাবানের রাতে সব ফয়সালা নির্ধারিত হয়, আর শবে কদরে তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতাদের কাছে অর্পণ করা হয়।”

হাদিসে আরও এসেছে—এই রাতে মানুষের জন্ম-মৃত্যু, রিজিক ও আমলনামা নির্ধারণ করা হয়।

করণীয় কী?

শবে বরাতের রাতে বেশি বেশি—

  • তসবিহ-তাহলিল
  • ইসতিগফার
  • দরুদ শরিফ
  • কোরআন তেলাওয়াত
  • নফল ও কাজা নামাজ
  • দোয়া ও মুনাজাত
  • কবর জিয়ারত
  • করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপসংহার
শবে বরাত কোনো বিদআত নয়; বরং কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি ফজিলতপূর্ণ রাত। এই রাতে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে শবে বরাতের ফজিলত উপলব্ধি করে যথাযথভাবে আমল করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

লেখক:
মাওলানা মির্জা নাইমুল হাসান বেগ

ইসলাম ও জীবন

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত। শবে […]

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩০

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত।

শবে বরাত উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করছেন।

লাইলাতুল বরাত পালন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মাগরিবের নামাজের আগ থেকেই বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিরা জড়ো হতে থাকেন। নামাজ শেষে শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ এশা আবারও ধর্মীয় আলোচনা শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করা হয়।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা জানান, তারা নিজেদের গুনাহ মাফ এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে দোয়া করেছেন।

এই পবিত্র রাতে নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও তওবার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মসজিদগুলোতে আজ সারারাত ইবাদতের পরিবেশ বিরাজ করছে।

ইসলাম ও জীবন

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু (Oakley Neil Caesar-Su)। লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে […]

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪

২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু (Oakley Neil Caesar-Su)।

লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। এর আগে সেন্ট্রাল সি তার ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা কথা বলেননি।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০২১ সালের দিকে সেন্ট্রাল সি ইউকে র‍্যাপ জগতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। প্রথম ব্রিটিশ র‍্যাপার হিসেবে একটি একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড রয়েছে তার। ড্রেক (Drake) এবং জে. কোল (J. Cole)-এর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের সাথে কাজ করে তিনি গত কয়েক বছরে সাফল্যের তুঙ্গে রয়েছেন।

নিজের দ্রুত উত্থান সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সবকিছু এতো দ্রুত ঘটছে যে মাঝে মাঝে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে যায়। আমি এতোদিন ধরে এতো দ্রুত দৌড়াচ্ছি যে এসব নিয়ে ভাবার সময়টুকুও পাইনি।

পেশাদার জীবনের এই ব্যস্ততার মাঝে তার এই ব্যক্তিগত এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তার অনুসারীরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে তার এই সিদ্ধান্তকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন